মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে ককরোচদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত রাজধানী। প্রতিবাদস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিমানে আটক হয়েছিলেন ‘ককরোচ’-এর প্রতিষ্ঠাতা দীপকে সহ আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে। কয়েক ঘণ্টা পর দিল্লি পুলিশ মুক্তি দেওয়ার পরও নিজেদের অবস্থান করে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দাবিতে তাঁরা অনড় থাকবেন। একইসঙ্গে সাধারণ নাগরিকদেরও রাস্তায় নেমে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী অপর্ণা সেনের প্রাক্তন জামাই রণবীর শোরে।
‘ককরোচ’দের বিক্ষোভ রণবীরের দৃষ্টিকোণে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’। রাস্তা আটকে নয় সংসদে গিয়ে আন্দোলন করার কড়া হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অভিনেতা। এক্স হ্যান্ডলে সৌরভ রাঙ্কার ভিডিও শেয়ার করে রণবীরের ‘শাসানি’, ‘সংসদে এবং নির্বাচনে নিজেদের শক্তি দেখান, রাস্তায় নয়। আর যদি সেটাও ভরসাস্থল না হল তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হন। এটাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতি। রাস্তাঘাট দখল করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ব্যবস্থাকে অচল করে রাখাটা প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রের হত্যা।’
Show your numbers in Parliament and the ballot, not the streets! And if the way to those seems unjust, show the courts! That is the democratic way! Hijacking the streets and holding the public infrastructure and law and order machinery to ransom is the actual “murder of democracy”!
— Ranvir Shorey (@RanvirShorey) October 11, 2026
উল্লেখ্য, রবিবার বিশেষ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের রায়, আন্দোলনকারীদের আর আটক করা হবে না। গণপরিবহণ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। লাইমলাইট থেকে নিজেকে দূরেই রাখেন রণবীর। কিন্তু, নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুর সময় আচমকা চর্চায় চলে আসেন অপর্ণা সেনের প্রাক্তন জামাই। ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে ছাত্রদের অভব্য আচরণ, অশ্লীল ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। সেসময় মোদি বাক্স্বাধীনতার প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘ওঁদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব।’
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেয়ার করে রণবীর মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ রণবীর লিখেছিলেন, ‘আমার জীবনে এই প্রথম কোনও ভারতীয় রাজনীতিককে বাকস্বাধীনতার বিষয়ে নিজেকেই উদাহরণ তৈরি করতে দেখলাম! এরকম একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য আপনাকে স্যালুট স্যার।’ কমেন্ট বক্সজুড়ে নেতিবাচক মন্তব্যের ঝড়। এক নেটাগরিকের খোঁচা, ‘গত বারো বছর আপনি কোথায় ছিলেন? তখন কি দেখেননি তাঁদের আইটি সেল এবং অন্ধভক্তরা কীভাবে বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী, বলিউড তারকা শাহরুখ খান, শিখ ও মুসলিম সম্প্রদায়কে অপমান করছিল?’
রণবীরের বিরুদ্ধে বিরুপ মনোভাব পোষণ করে এক ব্যক্তির পরামর্শ, ‘ভাই, তুমি বিয়ার আর মাটন খাও। এত প্রতিভাবান অভিনেতারা কীভাবে এধরনের নেতাদের তোষামোদ করতে গিয়ে নিজেদের বহু বছরের অর্জিত সম্মান, মূল্য এবং ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন! আসল ব্যক্তিত্বই প্রকাশ পাচ্ছে।’
