সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস, আশুতোষ রঙ্কাসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আটক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টার সময় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রঙ্কাকে ফের আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
সংবাদমাধ্যম পিটিআই-এর সূত্র ও সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর পোস্ট সূত্রে জানা যায়, জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যন্তর মন্তর চত্বরে প্রবেশ করার পর দলটির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
আটকের আগে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ দাস বলেন, 'যন্তর মন্তর পুনরুদ্ধার করা হয়েছে! আমরা ভেতরে প্রবেশ করেছি এবং এখন আমাদের আটক করা হচ্ছে। তবে এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বার্তা-আমরা এটি করতে পারি!'
আরও পড়ুন
সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার যতই যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত প্রতিবাদের তালিকা থেকে বাদ দিক না কেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ ঠেকানো যাবে না। এর আগে গত সপ্তাহেও যন্তর মন্তরে দলের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও আটকের ঘটনা ঘটেছিল। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
আজহার/
আরও পড়ুন
ফ্রান্সে কয়েক শ সুপারমার্কেটে সাইবার হামলা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ফ্রান্সের শত শত সুপারমার্কেটের হিমায়ন যন্ত্রে (রেফ্রিজারেশন সিস্টেম) এক নজিরবিহীন সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এর ফলে সুপারমার্কেটগুলোর ফ্রিজ ও ফ্রিজারের তাপমাত্রা অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১২২ ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এতে বিপুল পরিমাণের খাদ্যসামগ্রী পচে নষ্ট হয়ে গেছে এবং একাধিক দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ফরাসি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারমার্শে, কোঅপারেটিভ ইউ এবং ই ল্যকের্ক-সহ শীর্ষ কয়েকটি সংস্থা এই সাইবার হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন
বার্তা সংস্থা এএফপিকে ইন্টারমার্শে জানিয়েছে, তাদের বা তাদের নেটতো ব্র্যান্ডের অন্তত ৩০০টি দোকান এবং কোঅপারেটিভ ইউ-এর ১০০টিরও বেশি আউটলেট এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ক্যারেফোর-এর ৮০টি এবং মনোপ্রি-এর প্রায় ৫ শতাংশ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্যারিস প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, এই ব্যাপক আকারের হামলায় ফ্রান্সজুড়ে মূল সুপারমার্কেটগুলোর ইন্টারনেট সংযোগ থাকা ফ্রিজগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এর ফলে ব্যাপকভাবে খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়েছে এবং কয়েকটি স্থানে আগুন লেগেছে।
ঘটনার পরপরই ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লেকোর্নু দেশটির জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ফরাসি কর্তৃপক্ষ ইউরোপের অন্যান্য দেশের সাথেও সমন্বয় করছে, কারণ অন্যান্য দেশের প্রতিষ্ঠানও এই ঝুঁকিতে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হামলায় সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা না গেলেও ইন্টারমার্শের সিইও থিয়েরি কোটিলার্ড বিএফএম টিভিকে জানান, এই নজিরবিহীন হামলার কারণে একদিনেই সারা দেশে কয়েক কোটি ইউরোর ক্ষতি হয়েছে।
বিএফএম টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হ্যাকাররা দূর থেকেই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সুপারমার্কেটগুলোর রেফ্রিজারেশন সিস্টেমকে বলপূর্বক 'ডিফ্রস্ট' (বরফ গলানোর মোড) করতে সক্ষম হয়। এর ফলে তাজা ও হিমায়িত সব খাদ্যের মজুত পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোকে সব ফ্রোজেন খাবার ফেলে দিতে হচ্ছে।
সাধারণত সুপারমার্কেটগুলোর কোল্ড আইল বা ফ্রিজগুলো একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে পরিচালিত হয়, যাতে রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যে কোনো স্থান থেকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সূত্র জানায়, ডেনমার্কের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'ড্যানফস'-এর সরবরাহ করা সফটওয়্যারের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা এই হামলা চালিয়েছে।
ড্যানফস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ফ্রান্সে সীমিত কিছু রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে হামলার ঘটনা সম্পর্কে অবহিত। তবে যেসব ইউনিটে হামলা হয়েছে, সেগুলোতে পুরনো সফটওয়্যার বা 'ফার্মওয়্যার' চলছিল। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের দীর্ঘদিন ধরেই তাদের সিস্টেম আপডেট রাখা ও পুরনো যন্ত্রপাতি বদলে ফেলার পরামর্শ দিয়ে আসছিল।
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এটিকে পুরো বিশ্বের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারনেটে যুক্ত অবকাঠামো যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা এই ঘটনা প্রমাণ করেছে। আজ ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়েছে, পরবর্তীতে হাসপাতাল কিংবা বিদ্যুৎ অবকাঠামোও একই ধরনের সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সূত্র: আল জাজিরা
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
প্রতীকী ছবি।
-->মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির ধারাবাহিক অবনতি এবং ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী কর্তৃক সৌদি আরবে হামলা জোরদার করার পাশাপাশি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে নতুন করে হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দামের এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাজারের হিসাব অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেল প্রতি ৭৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে ১০৫ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫৯ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯২ দশমিক ৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সম্প্রতি ওমানের সোহার নোঙ্গর এলাকা এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় দুটি পৃথক তেলবাহী ট্যাঙ্কার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গোল্ডম্যান স্যাক্স তাদের ডিসেম্বরের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের অনুমিত মূল্য ব্যারেল প্রতি ৮৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৯০ ডলারে নির্ধারণ করেছে। বিশ্বখ্যাত এই ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য আরও বৃদ্ধি পাওয়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
আজহার/
আরও পড়ুন
যে কারণে নেদারল্যান্ডসকে ‘ইহুদি-বিদ্বেষের কেন্দ্রস্থল’ আখ্যা দিল ইসরায়েল
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
ছবি: সংগ্রীহিত
-->ইউরোপা লিগের একটি ম্যাচে ইসরায়েলি ফুটবল সমর্থকদের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখায় নেদারল্যান্ডসকে ‘ইহুদি-বিদ্বেষের কেন্দ্রস্থল’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নিরাপত্তা শঙ্কায় ইউরোপা লিগের ম্যাচে হাপোয়েল বিয়ের শেভা সমর্থকদের উপস্থিতির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ডাচ শহরটি, এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আগামী ১৫ অক্টোবরের এজেড আলকমারের বিরুদ্ধে ম্যাচে ইসরায়েলি ক্লাব হাপোয়েল বিয়ের শেভার সমর্থকদের মাঠে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য প্রতিবাদ ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ম্যাচটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করে, এই সিদ্ধান্ত যারা হুমকি দেয় এবং সহিংসতা উসকে দেয় তাদের পুরস্কৃত করে এটি খেলাধুলার মূল চেতনার পরিপন্থি।
মন্ত্রণালয় ডাচ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আক্রমণকারীদের বাদ দিয়ে ভুক্তভোগীদের ওপরই নিষেধাজ্ঞা আরোপের অভিযোগ তোলে। এখানে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আমস্টারডামে ইসরায়েলি ফুটবল ভক্তদের জড়িয়ে পড়া সংঘাতের ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করা হয়।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয় যে, নেদারল্যান্ডসের রাজনীতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের ইসরায়েলবিরোধী মন্তব্যের কারণে দেশটিতে ইহুদিবিদ্বেষী হামলা উসকে উঠছে।
গাজা যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলের উপস্থিতির কারণে ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতা বয়কটের বিষয়টি এবং এই নিষেধাজ্ঞাকে নেদারল্যান্ডসের জন্য আরও একটি কলঙ্ক হিসেবে বর্ণনা করেছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে দেশটি বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
তবে ইসরায়েলি এই অভিযোগের বিষয়ে ডাচ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে সোমবার ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার তার ডাচ সমকক্ষ টম বেরেন্ডসেনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ডাচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আলকমার পৌরসভার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। তারা ইসরায়েলি সমর্থকদের স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানান।
২০২৪ সালের নভেম্বরে আমস্টারডামে ম্যাকাবি তেল আবিব ও আয়াক্সের মধ্যকার ম্যাচকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার প্রায় দুই বছর পর নতুন এই বিতর্ক দেখা দিল। সে সময় উক্ত সংঘাতের পূর্বে ইসরায়েলি সমর্থকদের পক্ষ থেকে বর্ণবাদী ও ফিলিস্তিনবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ফিলিস্তিনের পতাকা ছিঁড়ে ফেলার মতো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, গাজা যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে গত আগস্টে ডাচ সম্প্রচারমাধ্যম 'এভিআরওটিআরওএস' ২০২৭ সালের ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতা বয়কটের ঘোষণা দেয়। এটি ছিল টানা দ্বিতীয় বছরের মতো তাদের বয়কটের সিদ্ধান্ত। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি
অলি/
আরও পড়ুন
সৌদি আরবের বাসিন্দাদের জন্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
সৌদি আরব। ছবি: সংগৃহীত
-->জাতীয় জরুরি প্রাথমিক সতর্কবার্তা প্ল্যাটফর্ম থেকে সতর্কতা বার্তা পাওয়ার পর বাসিন্দাদের জন্য জরুরি নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি করেছে সৌদি আরব। এতে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাসিন্দারা যেন অবিলম্বে নিকটস্থ কোনো নিরাপদ স্থানে বা ভবনের ভেতর জানালা থেকে দূরে কোনো ভেতরের কক্ষে অবস্থান নেন এবং বিপদ কেটে যাওয়ার আগে ঘর বা ভবন থেকে বাইরে বের না হন। এছাড়া খোলা জায়গা, জানালা, কাচ, বারান্দা কিংবা ছাদ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জরুরি সতর্কবার্তায় যা জানানো হয়:
শান্ত থাকুন: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল নির্দেশনা ও আপডেটগুলো মেনে চলুন।
আরও পড়ুন
তখনি আশ্রয় নিন: দ্রুত নিকটস্থ কোনো ভবনে প্রবেশ করুন অথবা জানালার থেকে দূরে ঘরের ভেতরের কোনো কক্ষে চলে যান।
ঘরের ভেতরে থাকুন: বিপদ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত বাড়ি বা ভবন ত্যাগ করবেন না।
জানালা থেকে দূরে থাকুন: খোলা জায়গা, কাচ, বারান্দা এবং ছাদ এড়িয়ে চলুন।
বাইরে থাকলে আশ্রয় নিন: বাইরে থাকা অবস্থায় নিকটস্থ কোনো ভবন বা শক্ত কোনো আহারের পেছনে আড়াল নিন।
বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলুন: কোনো দুর্ঘটনার স্থানে ভিড় করবেন না বা ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন।
গাড়ি নিরাপদে থামান: গাড়ি চালানোর সময় অ্যালার্ট পেলে সেতু ও বহুতল ভবন থেকে দূরে সড়কের পাশে গাড়ি থামিয়ে দিন।
জরুরি যোগাযোগের নম্বর:
কোনো ধরনের বিপদের মুখোমুখি হলে বা ঝুঁকি দেখলে নিচের জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে:
৯১১: মক্কা, মদিনা, রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ।
৯৯৮: সৌদি আরবের অন্যান্য অঞ্চল।
কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে প্রকাশিত সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: গালফ নিউজ
তামান্না রুপা/
