রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং-সংলগ্ন গুমটিঘর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার পরিচালিত এই অভিযানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শামসুল হক (২৬), ইকবাল হোসেন জিহাদ (২৩), আরাফাত হোসেন শামীম (২০), আবদুল্লাহ রাহুল (১৮), মোহাম্মদ হোসেন (২৬), সাইমুর (২২), ইমন (২১), অভি (২১), রাফিন (২০), জুনায়েদ হোসেন (২০), সাইদ হোসেন (১৯), আনোয়ার হোসেন (২৯), ইমরান আরাফাত (১৯), মারুফ হোসেন (১৯), সাহিদুর (৩০), উজ্জ্বল (৩৬), রবিন (৩৫), মাসুদ (৩৫), দুলু (৩৫), ফরিদ ব্যাপারী (৪৫), জনি (২৬), কবির (৩০), ইউসুফ (২৩), আল রাব্বি (২৩), শুভ (২২), শাওন (৩৫) ও সেন্টু মিয়া (৫০)। এ ছাড়া সংঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকায় এক শিশুকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
এই গুমটিঘর এলাকায় ১৭ অক্টোবর অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’ চালিয়ে ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েন ইশরাক হোসেন। এর জের ধরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয় তাঁকে।
ওই ঘটনার পর ১৯ অক্টোবর গুমটিঘর এলাকায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সেই অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ২০ অক্টোবর ওই জায়গায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
