Published on
:
1 min read
চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে আহতদের কেন বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলো? মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে সঙ্গে নিয়ে সেই ব্যাখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন তিনি বলেন, ‘রোগীর মৃত্যু ঠেকানোই আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল।’
এ দিনের সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী। সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যভবনে স্বাস্থ্য কর্তাদর সঙ্গে একটি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে সঙ্গে নিয়ে কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন। সরকারি হাসপাতালের কিছু খামতির কথা স্বীকার করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অনেক সময় প্রাণ বাঁচাতে রোগীদের অ্যাপোলোর মতো শীর্ষ বেসরকারি হাসপাতালে পাঠাতে হয়।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেই সময়ে পদপিষ্টের ঘটনার পরে রোগীর মৃত্যু ঠেকানোই প্রাধান্য পেয়েছে। পুজোর সময়েও স্বাস্থ্য কর্মীরা ডিউটি করছেন বলে তাঁদের ধন্যবাদ জানান। এবং হাসপাতালের পরিষেবা পুরোপুরি উন্নত করতে আরও দু' বছর সময় লাগবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সব মিলিয়ে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতির কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, যে ১৯ জন মারা গিয়েছেন, তাঁরা মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিলেন। কিন্তু মেডিক্যাল কলেজে আসার পর কোনও আহতের মৃত্যু হয়নি। এটা বড় সাফল্য। সেটা নিশ্চিত করতেই সর্বোৎকৃষ্ট বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয় আহতদের। এই ব্যাপারটি নিয়ে যাঁরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করছেন, তাঁদের অভিযোগ অহেতুক বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, অ্যাপোলোর স্তরে সব মেডিক্যাল কলেজকে নিয়ে যেতে তাঁর সরকারের দু' বছর, মানে আরও দেড় বছর লাগবে।
