পটিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় থাকবে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের পটিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা করেছে পটিয়া থানা পুলিশ। দুর্গাপূজা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) পটিয়া থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।
আরও পড়ুন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বদা সতর্ক রয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ওসি মো. জিয়াউল হক বলেন, পটিয়ার মাটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। দুর্গাপূজা চলাকালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপতৎপরতা কঠোর হাতে দমন করা হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে বহুমুখী নিরাপত্তা-ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
আরও পড়ুন
সভায় দুর্গোৎসবকালীন ২০১টি পূজা মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় স্থানীয় সুধীজন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা পূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তা-ব্যবস্থা এবং শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করার বিষয়ে নিজেদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
আলভী/নাঈম
আরও পড়ুন
১ মাস পর দৃশ্যমান রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু। ছবি: খবরের কাগজ
-->দীর্ঘ বিরতির পর আবারও প্রাণ ফিরেছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে। কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় টানা ১ মাস ২ দিন পর কাপ্তাই হ্রদের পানির নিচে তলিয়ে থাকা ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের দৃষ্টিনন্দন সেতুটি পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। তুলে নেওয়া হয়েছে পর্যটকদের চলাচলের নিষেধাজ্ঞা। ফলে সেতু ঘিরে ফিরেছে চেনা ব্যস্ততা। পর্যটকদের মধ্যেও ফিরেছে স্বস্তি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা যায় পর্যটকদের ভিড়। পরিবার, শিশু কিশোর এসেছেন অনেকেই। কেউ সেতুতে সেলফি তুলছেন, কেউ নৌভ্রমণ উপভোগ করেছেন। এর বেশিরভাগই তরুণ তরুণী।
এ মৌসুমে সেতু ডুবে যাওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা এটি। গত ১১ সেপ্টেম্বর সেতুটি পানিতে তলিয়ে যায়। নিরাপত্তার কারণে ওই দিনই বন্ধ করা হয় পর্যটকদের প্রবেশ।
আরও পড়ুন
তবে সেতু ডুবে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। প্রতিবছর বর্ষায় হ্রদের পানি বাড়লেই তলিয়ে যায় রাঙামাটির পর্যটনের প্রধান এই আকর্ষণ। চলতি মৌসুমে প্রথম দফায় গত ২৯ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর ডুবে থাকে সেতুটি। এর আগে গত বছরের ২৩ অক্টোবর ৮৫ দিন ডুবে থাকার পরে দৃশ্যমান হয়েছিল এ সেতু। এতে পর্যটন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লোকসানে পড়েন সংশ্লিষ্টরা। সর্বশেষ ১২ অক্টোবর বিকেল থেকে পানি সরতে শুরু করলে সংস্কার শেষে তুলে নেওয়া হয় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। জেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় এ পর্যটন স্থাপনা পুনরায় দৃশ্যমান হওয়ায় উচ্ছ্বাসিত দেশের দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরাও।
ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা তানিয়া আক্তার বলেন- 'পাহাড়, সবুজ প্রকৃতি আর কাপ্তাই লেকের স্বচ্ছ নীল জলরাশি মন ভালো করে দেয়। বার বার আসতে মন চায়। দারুণ উপভোগ করছি'।
আরও পড়ুন
বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জাহিদ হাসান বলেন- 'দেশের অন্য পর্যটন স্পট থেকে রাঙামাটি অনন্য। একদম আলাদা। এখানকার সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বোঝানো যায় না। এজন্য সুযোগ হলেই ছুটে আসি এখানে। আমাদের ভাগ্য ভালো বলতে হবে- ডুবে থাকা সেতু ভেসে ওঠায় ঘুরতে পারলাম, ছবিও তুললাম। অসাধারণ ভালো লাগার একটা অনুভূতি নিয়ে ফিরতে পারবো'।
ঝুলন্ত সেতুর নৌ-ঘাট টোল আদায়কারী ফখরুল ইসলাম বলেন- 'একমাসের বেশি সময় ডুবে থাকার পরে সেতু ভেসে উঠেছে। এরই মধ্যে সেতুর সংস্কার কাজ শেষে পর্যটকদের জন্য গতকাল থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পূজার ছুটি আর পর্যটন মৌসুমে প্রচুর পর্যটক ভ্রমণে আসবেন।'।
ঝুলন্ত সেতু টিকিট কাউন্টারের ম্যানেজার হাসান আহমেদ সোহেল বলেন,- 'দীর্ঘদিন ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকায় সরকার প্রতিদিন ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে। সেতু বন্ধ থাকলে রাঙামাটির পুরো পর্যটন খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এখন সেতু খুলে দেওয়ায় বিগত সময়ের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার কথা বলছেন সেতু কর্তৃপক্ষ।'।
দৃষ্টিনন্দন এ ঝুলন্ত সেতুটিতে বছরে ১০ লাখের বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করে থাকেন। জনপ্রতি ৩০ টাকা প্রবেশ ফি থেকে বাৎসরিক আয়ের অঙ্কে দাঁড়ায় প্রায় কোটি টাকার অধিক। অথচ প্রতি বর্ষায় পানির নিচে হারিয়ে যায় এই আকর্ষণ, একইসাথে বিরূপ প্রভাব পড়ে পর্যটন খাতে। তাই বারবার সাময়িকভাবে খুলে দেওয়ার বদলে পানির উচ্চতা বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের দাবি পর্যটনসংশ্লিষ্টদের।
জুয়েল/নাঈম
আরও পড়ুন
বানারীপাড়ায় ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
ইনসেটে বানারীপাড়ার ওসি মজিবুর রহমান। ছবি:সংগৃহীত
-->বরিশালের বানারীপাড়ায় মারধর, ভয়ভীতি দেখানো, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং তিন বছরের মেয়েকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক রাজমিস্ত্রি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক এ আদেশ দেন।
মামলার বাদী জালিছ মাহমুদ বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা।
আরও পড়ুন
মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান ও এসআই মো. জাহিদকে সুনির্দিষ্ট আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জালিছ মাহমুদের সঙ্গে তার সাবেক স্ত্রী পপি আক্তারের যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলা হয়েছিল। বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরের টাকা পরিশোধের পর বিচার শেষে ওই মামলায় খালাস পান জালিছ। জালিস পপির বিচ্ছেদের পরে পপি অন্যত্র বিয়ে করায় তাদের তিন বছর বয়সি মেয়ে হুমায়রা জান্নাত বাবার বাড়িতে থাকত।
আরও পড়ুন
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ওসির নির্দেশে এসআই মো. জাহিদ চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে জালিছকে আটক করতে যান। মহিষাপোতা গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে তাকে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন বাদী। পরে সাবেক স্ত্রীর করা মামলার কথা বলে তাকে জোর করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং থানায় আটকে রেখে মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো হয়। এ সময় তার অনুমতি ছাড়াই ওসির নির্দেশে তার মেয়েকে সাবেক স্ত্রীর জিম্মায় দেওয়া হয়।
জালিছ মাহমুদের দাবি, তিনি মেয়ের আইনি অভিভাবক। থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে আদালতে মামলা করেন। মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও আইনি অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করে বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান বলেন, শিশুটির বয়স দুই বছর আট মাস এবং সে খুব অসুস্থ। মাতৃস্নেহে থেকে তার সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে শিশুটিকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
সবুজ/নাঈম
আরও পড়ুন
পীরগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২, পৌর নির্বাহী গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রংপুরের পীরগঞ্জ পৌরসভার নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় পৌর নির্বাহী আব্দুর রহিম প্রামানিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলায় প্রধান ঠিকাদারসহ নয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার আগের দিন ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি পরিদর্শনের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে পুরোনো বাঁশ জোড়াই দিয়ে শাটারিং তৈরি করা হয়েছিল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিহত শ্রমিক আসাদুল আকন্দের বাবা ঠান্ডা মণ্ডল বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
আরও পড়ুন
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমূল হক বলেন, ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। পৌর নির্বাহীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ জানায়, মামলায় প্রধান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভিশন ২০২০-এর স্বত্বাধিকারী শাহিদুল ইসলাম, পৌর নির্বাহী আব্দুর রহিম প্রামানিক, পৌর প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, উপসহকারী প্রকৌশলী মেহেরাব হোসেন জনি, কার্যসহকারী রাফিকুন খান, সাবঠিকাদার হাফিজুর রহমান ও লাবলু এবং প্রধান ঠিকাদারের দুই ব্যবস্থাপক ওলিউল্লাহ ওলি ও নয়নকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন পীরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তাজুল ইসলাম।
আরও পড়ুন
সেলিম সরকার/এসএন
আরও পড়ুন
মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র বেচাকেনা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩ পিস্তল
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মুন্সীগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও গুলি কেনাবেচার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলোই এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. বারেক ব্যাপারী (৪৯), সুজন বেপারী (৩৮) ও তার বড় ভাই মনির হোসেন (৪৫)। তারা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলোই এলাকার বাসিন্দা।
আরও পড়ুন
এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসআরবি-১১-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাত ২টা ১০ মিনিটে এসআরবি-১৪-এর একটি দল টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্টে ‘রিয়াজ পরিবহন’ নামের একটি বাসে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি হারমোনিয়ামের ভেতরে কৌশলে লুকিয়ে রাখা দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড গুলিসহ বারেক ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বারেক জানান, অস্ত্র দুটি মুন্সীগঞ্জের সুজন বেপারীর কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সুজন কুষ্টিয়া থেকে পিস্তল দুটি কিনেছেন বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন
এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ৭টার দিকে এসআরবি-১১-এর সদর কোম্পানির একটি দল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলোই এলাকায় সুজন বেপারীর বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে সুজন ও তার বড় ভাই মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আরও একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এসআরবির দাবি, উদ্ধার করা টাকাগুলো অস্ত্র বিক্রির অর্থ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানা ও মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় পৃথক মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
মঈনউদ্দীন/এএফ
