Published on
:
2 min read
এসি গাড়িতে গোরু পাচারের অভিযোগ। সোমবার রাতে কোচবিহারের রবিদাস পল্লি এলাকার ঘটনা। অভিযোগ, ভিতরে গাদাগাদি করে রাখা গোরু দেখেই গাড়িটি ভাঙচুর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে বেগতিক বুঝে আগেই পালিয়ে যান চালক। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
এক নজরে
সোমবার রাতে কোচবিহারের রবিদাস পল্লিতে এসি গাড়িতে গোরু পাচারের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।
গাড়িতে চার-পাঁচটি গোরু গাদাগাদি করে রাখা দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের।
স্থানীয়রা গাড়িটি ঘিরে ধরতেই চালক পালিয়ে যান বলে অভিযোগ।
ইট, লাঠি ও রড দিয়ে গাড়িটিতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
গাড়িটি আটক করে গোরুগুলিকে একটি খামারে পাঠিয়েছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ; পলাতক চালকের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়িতে চার-পাঁচটি গোরু নিয়ে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু গাড়িটির গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। তাঁরা গাড়ি ঘিরে ধরেন। দরজা খুলতেই দেখা যায়, গাদাগাদি করে চার-পাঁচটি গোরু রাখা। সঙ্গে সঙ্গে হট্টগোল শুরু হয়ে যায়।
পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে গাড়ি ছেড়ে পালান চালক। স্থানীয়দের সব রাগ গিয়ে পড়ে গাড়ির উপরে। অভিযোগ, ইট, লাঠি, রড দিয়ে গাড়িটিতে দেদার ভাঙচুর চালান তাঁরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গাড়িটি আটক করার পাশাপাশি গরুগুলিকে উদ্ধার করে একটি খামারে পাঠিয়ে দেন তাঁরা।
পলাতক চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। গরুগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
FAQ
কোচবিহারে গোরু বোঝাই গাড়ি ঘিরে উত্তেজনা কোথায় ছড়ায়?
সোমবার রাতে কোচবিহার শহরের রবিদাস পল্লি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
কেন গাড়িটিকে ঘিরে ধরেন স্থানীয় বাসিন্দারা?
গাড়িতে চার-পাঁচটি গোরু গাদাগাদি করে রাখা দেখে স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ হয়। তাঁরা গাড়িটি ঘিরে ধরেন।
গাড়ির চালকের কী হয়েছে?
পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে চালক গাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
গাড়ি ও গোরুগুলির কী হয়েছে?
পুলিশ গাড়িটি আটক করেছে এবং গোরুগুলিকে উদ্ধার করে একটি খামারে পাঠিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার তদন্ত করছে কোন থানার পুলিশ?
কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গোরুগুলি কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর নেই।
