চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিস্তীর্ণ ও জনবিরল পার্বত্য এলাকা নাগচুতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ওই অঞ্চলের শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার (১৫ হাজার ৭৫০ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। দুর্গম ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনায় জটিলতা দেখা দিতে পারে।
২০২৩ সালের পর এই অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। ওই বছর চীনের পার্শ্ববর্তী গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত অধিকাংশ তথ্য প্রকাশ করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া। স্থানীয় কর্মকর্তা ও জরুরি সেবাকর্মীদের বরাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯৫০-এর দশকে চীনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে তিব্বত কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। অঞ্চলটিতে তথ্যপ্রবাহ ও সংবাদ সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করা কঠিন। ফলে ভূমিকম্পের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
