ফ্লাই দুবাইয়ের কাণ্ডের ছায়া এবার এয়ার ইন্ডিয়ায়! জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান জরুরি অবতরণ করল জয়পুর বিমান বন্দরে। বুধবার ভোররাতে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একাধিক সূত্রে জানা যাচ্ছে ওই বিমান অপহরণের চেষ্টা হয়েছে। যদিও তদন্তকারীদের তরফে এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই জানানো হয়নি। ব্যাপক সতর্কতা জারি হয়েছে বিমানবন্দরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের পাশাপাশি বম্ব স্কোয়াড, দমকল বাহিনী।
জানা যাচ্ছে, বুধবার সকাল ৯টা ৫ নাগাদ আহমেদাবাদ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান এআই ২০৩০ থেকে একটি জরুরি সতর্কবার্তা পায়। এরপরই পরামর্শ মতো বিমানটিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় জয়পুরের দিকে। সেখানেই জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। জরুরি অবতরণের জেরে স্বাভাবিকভাবেই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় জয়পুর পুলিশের বম্ব স্কোয়াড, দমকল বাহিনী ও জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী দল। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তারাও বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন।
জরুরি অবতরণের জেরে স্বাভাবিকভাবেই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় জয়পুর পুলিশের বম্ব স্কোয়াড, দমকল বাহিনী ও জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী দল। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তারাও বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন।
মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ নাগাদ জার্মানি থেকে আকাশে উড়েছিল বিমানটি। গন্তব্য ছিল দিল্লি। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, বিমানটি যখন মুম্বই ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়নে (এফআইআর) ছিল, সেই সময় পাইলট স্কোয়াক কোড ৭৫০০ চাপেন। এই সুইচের অর্থ হল, বিমানে বেআইনি হস্তক্ষেপ বা বিমান হাইজ্যাকের ঘটনা ঘটেছে। সূত্রের খবর, বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের এই বিমানটি জয়পুরে অবতরণের পর সেটি পরীক্ষার জন্য আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মালভিয়ার সহকারী পুলিশ কমিশনার শিব দয়াল সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে, বোমা হামলার হুমকির পর ফ্রাঙ্কফুর্ট-দিল্লি বিমানটির জরুরি অবতরণের বিষয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে। বিমানে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতির আসেনি। যদিও সূত্রের খবর, হয়ত ভুল করে সতর্কতামূলক ওই সুইচ প্রেস করেছিলেন পাইলট।
