সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্বোধনের পরে বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীনিজস্ব চিত্র
Published on
:
1 min read
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লি। রবিবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের পুজো উদ্বোধনে গিয়ে সেই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে দেশ রক্ষার ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘আরশোলা-ছারপোকাদের উৎপাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে।’
‘বন্দে মাতরমের’ ১৫০ বছর পূর্তিতে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টিকেই থিম করেছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। পুজো মণ্ডপে ফুটে উঠেছে গোটা ভারত। এ দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেও ‘বন্দে মাতরম’-এর সঙ্গে গলা মেলান শুভেন্দু। পরে নিজের বক্তব্যে ‘হিন্দুত্ব’-কে তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘বন্দে মাতরমকে জাগ্রত করতে হবে। তুলে ধরতে হবে রাষ্ট্রবাদকে।’
সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার বরাবরই বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলেই পরিচিত। শুভেন্দুর মতে, ‘শাস্ত্রবিধি মেনেই পুজো হয় এখানে।’ রামমন্দির উদ্বোধনের ঠিক আগে আগে (২০২৩) রামলালার সদ্য নির্মিত মন্দিরকেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারে তুলে ধরেছিলেন সজল ঘোষ। সেই প্রসঙ্গে একটি ছোট গল্প বলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘সজল আমায় ফোন করে জিজ্ঞাসা করল, কী থিম করা যায়? আমি বলেছিলাম, এ বার শুধু জয় শ্রীরাম হবে।’
সেই জয় শ্রীরামের ধ্বনি গোটা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু কাজ এখনও শেষ হয়নি বলে দাবি তাঁর। সেই সূত্রেই টেনে আনেন সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে ঢিল ছোড়ার প্রসঙ্গ। তিনি অবশ্য প্রবীণ আইনজীবীর নাম নেননি। শুভেন্দুর কথায়, ‘কমিউনিস্ট নেতা নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে লিখলেন, হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ। আমি-আপনি হিন্দু নয়? কোথা থেকে সাহস হয় এই সব বলার?’
‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর মতে, এই সবই টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের কাজ। টেনে আনেন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রসঙ্গও। তবে একবারও দিল্লির আন্দোলন বা সিজেপির নাম নেননি তিনি। শুভেন্দু শুধু বলেন, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, আরশোলা-ছারপোকাদের উৎপাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে।’
