মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে আটক ৩৩৩; দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ফেনীতে ৫ প্লাটুন বিজিবি
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ০৬:২১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
সরাইল রিজিয়নে বিজিবির অভিযান ও ফেনীতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সরাইল রিজিয়নের অধীন ১৩টি ব্যাটালিয়নের অভিযানে চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে ৯৫৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময়ে মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনায় ৩৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান এবং শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থার তথ্য তুলে ধরা হয়।
বিজিবি জানায়, সরাইল রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার সীমান্তে চারটি সেক্টরের অধীন ১৩টি ব্যাটালিয়নের ২১১টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযানে ১১টি পিস্তল, ৭টি এয়ারগান, ৫টি পাইপগান ও ৬২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯ কেজি উচ্চ বিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর ও ৭৭ মিটার ডেটোনেটর তার জব্দ করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবা, ১৪ হাজার ৯৬৭ কেজি গাঁজা, ৬৩ হাজার ৫৭৫ বোতল বিদেশি মদ, ১৬ হাজার ৮৮০ বোতল বিয়ার এবং ৪ লাখ ৩২ হাজার ৫১০ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফেনসিডিল, ইস্কাফ সিরাপ ও ২১০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন প্রতিরোধে অভিযান চালিয়ে ১৬ হাজার ৮০০ ঘনফুট পাথর এবং ৮ হাজার ২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করেছে বিজিবি। পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ফেনী ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ১৮টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ উচ্চবিদ্যালয়ে ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত একটি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিজিবি।

