ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনাল খেলতে হলে আজ আফগানিস্তানকে হারাতে হবে বড় ব্যবধানে। কিন্তু বড় ব্যবধানে হারাতে নেমে বাংলাদেশ উল্টো বড় হারের মুখে! আফগানদের বিপক্ষে আগ ব্যাট করতে নেমে ১৬০ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাই সিরিজের ফাইনাল খেলতে হলে আজ আফগানদের হারাতে হবে বড় ব্যবধানে। ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণ এমন- জিততে হবে ৪১ রানের ব্যবধানে।
টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সুযোগও পায় বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিং করতে নেমে তাওহিদ হৃদয়ের দলের যাচ্ছে-তা অবস্থা! ১৬০ রানেই অলআউট। শারজাহর পিচ যেমন ব্যাটিং সহায়ক, তাতে এই পুঁজি নিয়ে আফগানদের বিপক্ষে ৪১ রানে জয়ের স্বপ্ন কঠিনই বটে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছে নাজুক। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই পরপর দুই বলে ফেরেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা তানজিদ হাসান তামিম ও তিনে নামা সৌম্য সরকার। চারে নেমে হাল ধরার চেষ্টা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত, কিন্তু শান্তও ব্যর্থ। ২৩ রানে ৩টি চারের সাহায্যে ১৫ রান করে ফিরেছেন দলের ২৭ রানের মাথায়। দলীয় ২৮ রানের মাথায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ও ফিরলে বাংলাদেশ পরে কঠিন চাপে। বড় স্কোর গড়ার রাস্তা মূলত সেখানেই কঠিন হয়ে পরে। পরে বড় স্কোর গড়তেও পারেনি বাংলাদেশ।
দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর ওপেনার সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন অবশ্য দলকে টানার চেষ্টা করে গেছেন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১৪৭ বল খেলে ৯৩ রান তোলেন দুজন। একটা সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১২১। সেখান থেকে বড় স্কোরের দিকে যাওয়ার বড় সুযোগ ছিল। কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই আবারও হুড়মুড় করে ভেঙে পরে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ।
৮২ বলে ২টি চার ১টি ছয়ে ৪১ রান করে মোহাম্মদ নবির বলে ফেরেন সাইফ হাসান। দুদিন আগে দেশ থেকে উড়ে যাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন ৯৬ বলে ৭০ রান। তরুণ ইমনের ইনিংসে চার ৫টি, ছক্কা ২টি। এই দুজন ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পেরেছেন কেবল নাজমুল শান্ত (১৫)!
ইনজুরি কাটিয়ে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের জায়গায় দলে ফেরা মেহেদি হাসান মিরাজ রান পাননি। শেষ দিকের ব্যাটাররাও আজ ব্যর্থ। যাতে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে অলআউট বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ৮.২ ওভরে ৩২ রান দিয়ে নিয়েছেন চার উইকেট।
