নয়াদিল্লি, ১৩ অক্টোবর: যন্তরমন্তরে কোনোরকম বিক্ষোভ বা আন্দোলন করা যাবে না, গতকালই জানিয়ে দেওয়া হয় অমিত শাহের দপ্তর থেকে। ঠিক তার পরের দিন, মঙ্গলবার সকালেই যন্তরমন্তরে তিরঙ্গা হাতে পৌঁছে যান সিজেপি কর্মীরা। দিতে থাকেন স্লোগানও। ককরোচ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান অভিজিৎ দিপকে একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে দাবি করেন, ‘যন্তরমন্তরে আজ সকালে কর্মীরা তিরঙ্গা হাতে প্রবেশ করলে দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে। সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা-সহ দলের অন্যান্য সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে।’
এছাড়াও এদিন যন্তরমন্তরকে আন্দোলনস্থল হিসেবে বাতিল করা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান দিপকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘আপনি এই আন্দোলনকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন না’।
যন্তরমন্তর জুড়ে এখনও কড়া নিরাপত্তা। গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে সিজেপির ডাকে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রতিবাদে শামিল হন। দফায় দফায় উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায় এবং আটক করা হয় প্রায় ৩০০০-এর বেশি বিক্ষোভকারীকে। তার পরের দিন অর্থাৎ ১১ অক্টোবরও দিল্লিতে ধরপাকড় চলে। গতকাল অর্থাৎ ১২ অক্টোবর কংগ্রেসের ডাকে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী মিছিলে শামিল হন। এরপর আজ যন্তরমন্তরে কর্মীরা পৌঁছলে তাঁদেরও আটক করা হয়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁদের কর্মসূচি ও প্রতিবাদ চলবে বলেই জানান অভিজিৎ দীপকে।
