পটুয়াখালীর দুমকিতে অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও একটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। এ সময় তিন জেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজনকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুমকি উপজেলা উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলার নদীতে বিশেষ অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগ। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার ট্রলারসহ তিন জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধলমৌ ভরপাশা গ্রামের মৃত সোবাহান হাওলাদারের ছেলে মো. মজিবর হাওলাদার (৬২) এবং একই গ্রামের মো. মজিবর হাওলাদারের ছেলে মো. উজ্জ্বল হাওলাদার (২৬)।
পরে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতের বিচারে মজিবর হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদারকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, আটক তৃতীয় ব্যক্তি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী এলাকার মো. আনোয়ারের ছেলে মো. সিয়াম (১৩) অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে আর কখনো এ ধরনের অবৈধ কাজে জড়িত হবে না, এমন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষা এবং নদীপথে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এমএ
