পুলিশ সূত্রে খবর, বাশারের পুরো নাম শেখ আবুল বাশার। তিনিও পেশায় ব্যবসায়ী। মেদিনীপুর শহরের সিপাই বাজারের বাসিন্দা। তাঁর একটি চালকল রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর স্নেহার বাপের বাড়ির তরফে যে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় থানায়, তাতে বলা হয়েছিল, গত ৭ অক্টোবর রাতে রণদীপ বাড়িতে নতুন গাড়ি (বিএমডব্লিউ) কিনে এনেছিলেন। কিন্তু সেই গাড়ি কেনায় স্নেহার মত ছিল না। তা নিয়ে সে দিন রাতে রণদীপ স্নেহাকে নিজের বন্ধুবান্ধবদের সামনে অপমান, এমনকী মারধরও করেন। শুধু রণদীপই নন, তাঁর বন্ধু বাশারও স্নেহাকে কুমন্তব্য করেছেন। রণদীপ তাঁর প্রতিবাদও করেননি। অতীতেও তাঁদের মেয়েকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন স্নেহার বাপের বাড়ির লোকেরা। তাঁদের অভিযোগের সূত্রেই আপাতত বাশারের খোঁজ করছে পুলিশ।
স্নেহার মা সুলেখা চক্রবর্তী বলেন, ‘স্নেহার মুখেই বাশারের কথা শুনেছিলাম। রণদীপ যখন স্নেহাকে অপমান করত, কটূক্তি করত, কিংবা নির্যাতন করত, তাতে ইন্ধন দিত বাশার। এতে স্নেহা অপমানবোধ করত। এ বছর বিশ্বকর্মা পুজোর সময়েই বাশারকে দেখেছি। মেদিনীপুর শহরের ধর্মায় রণদীপের বাবার একটি গ্যারেজ রয়েছে। সেই গ্যারেজে বিশ্বকর্মা পুজোর অনুষ্ঠানে এসেছিলেন বাশার। সেই সময়ে দেখা হয়েছিল। কিন্তু কোনও কথা হয়নি।’
