কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদীতে পৃথক ঘটনায় ইভা (৬) ও সুমাইয়া আক্তার (১১) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে পাকুন্দিয়ায় বাড়ির সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় মিশুকের চাপায় ইভার মৃত্যু হয়। একই দিন কটিয়াদীতে সহপাঠীদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যায় সুমাইয়া।
নিহত ইভা পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।
জানা গেছে, দুপুরে পাকুন্দিয়া-কিশোরগঞ্জ সড়কের আলোর স্টোর বাজারসংলগ্ন কোষার সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় একটি মিশুকের চাপায় গুরুতর আহত হয় সে। পরে তাকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ইভার চাচা রুবেল মিয়া বলেন, বাড়ির সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় মিশুকের চাপায় গুরুতর আহত হয় ইভা। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।
পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাওহীদ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় তার মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন দুর্ঘটনায় শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, কটিয়াদীতে পুকুরে গোসল করতে নেমে মারা যাওয়া সুমাইয়া আক্তার উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া আতকাপাড়া গ্রামের মানিক মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
রোববার দুপুর ১টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে সহপাঠীদের সঙ্গে গোসল করতে নামে সে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোসলের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত গভীর পানিতে তলিয়ে যায় সুমাইয়া। তার সঙ্গে থাকা সহপাঠীদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম পানিতে ডুবে শিশু মারা যাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
সাখাওয়াত হোসেন হৃদয়/এসএইচএ
