- Anandabazar
- Ananda Utsav
- Travel Guide
- sri lanka-7 day budget friendly travel guide dgtl
পুজোর পরেও হাতে ছুটি? পকেট বাঁচিয়ে সাত দিন কাটুক শ্রীলঙ্কায়, দু’জনের খরচা কত?
ডাচ আমলের দুর্গশহর, সমুদ্রের পাশে পাথর বাঁধানো রাস্তা, পুরনো বাড়ি, ছোট্ট ক্যাফে— হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে, শ্রীলঙ্কার আরও কত কিছুই না দেখা বাকি রয়ে গেল!
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৩৭
পুজো শেষ। তবু ছুটির ক্যালেন্ডারে এখনও বেশ কয়েকটা দিন বাকি। বিদেশ বেড়িয়ে আসবেন নাকি একটু? সবে পুজোর খরচের ধাক্কা সামলে এখন এমন কথা শুনে বাড়ির লোক আঁতকে উঠতেই পারেন। কিন্তু বিদেশ মানেই যে লক্ষ টাকার ধাক্কা, তা তো নয়!
০২ / ১৪
এই যেমন শ্রীলঙ্কা। ভারতের দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র। আয়তনে পশ্চিমবঙ্গের চেয়েও ছোট। অথচ সমুদ্র, পাহাড়, জঙ্গল, চা-বাগান, প্রাচীন রাজপ্রাসাদ— সবই আছে ভাঁড়ারে। দু’জনে মিলে সাত দিনের ছুটি কাটানোর জন্য বেশ লোভনীয়।
০৩ / ১৪
কলম্বো বিমানবন্দরে নেমে প্রথম রাতটা কাটুক কাছের সমুদ্রশহর নেগোম্বোতে। এক সময়ে পর্তুগিজ ও ডাচ বণিকদের ঘাঁটি ছিল এখানে। আজও মাছধরা নৌকা, পুরনো গির্জা আর জমজমাট মাছের বাজার শহরটার পরিচয়।
০৪ / ১৪
বিকেলে নেগোম্বোর সৈকতের ধারে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে চলুন আলসে মেজাজে। নোনা হাওয়ায় শুকনো মাছের গন্ধ ভেসে আসবে। রাতে স্থানীয় কোনও খাবারের দোকানে নারকেলের সাম্বল, ভাত আর ঝাল মাছের কারি।
০৫ / ১৪
পরদিন চলুন দেশের মধ্যভাগে, ডাম্বুলায়। পাহাড়ের গায়ে প্রাচীন বৌদ্ধ গুহামন্দিরের জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চল। কাছেই সিগিরিয়া, বিশাল এক পাথরের মাথায় পঞ্চম শতকের রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ।
০৬ / ১৪
তবে সিগিরিয়ার প্রবেশমূল্য বেশ চড়া। এ ক্ষেত্রে তাই বাজেট-বন্ধু হতে পারে পাশের পিদুরাঙ্গালা পাহাড়। অল্প খরচে উপরে উঠলেই হল। নীচে সিগিরিয়ার দুর্দান্ত দৃশ্যপট সাজানো।
০৭ / ১৪
তৃতীয় দিনে গন্তব্য ক্যান্ডি। পাহাড়ঘেরা হ্রদের শহরটা এক সময়ে ছিল শ্রীলঙ্কার শেষ রাজাদের রাজধানী। এখানকার বিখ্যাত বৌদ্ধ মন্দিরে সংরক্ষিত রয়েছে বুদ্ধের দাঁতের স্মৃতিচিহ্ন। সন্ধ্যায় হ্রদের ধারে একটু হাঁটাহাঁটি, তার পরে রাস্তার দোকানে ডিমভরা বাটির মতো হপার্স। সঙ্গে ঝাল চাটনি হলে তো কথাই নেই!
০৮ / ১৪
চতুর্থ দিনে পাহাড়ি পথ ধরে সোজা এলা। শ্রীলঙ্কার চা-বাগানের দেশে ছোট্ট এক পাহাড়ি জনপদ। রাস্তার দু’পাশে চায়ের ঝোপ, কুয়াশা আর সবুজ ঢাল। সম্ভব হলে নানু ওয়া থেকে এলা পর্যন্ত পাহাড়ি ট্রেনযাত্রাও এই সফরের অংশ হোক।
০৯ / ১৪
পরদিন সকালের জন্য তোলা থাক লিটল অ্যাডামস পিকের সহজ ট্রেক। তার পরে জঙ্গলের সবুজে ঘেরা বিখ্যাত নাইন আর্চ ব্রিজ। বিকেলে গেস্টহাউসের বারান্দায় সিলন চা আর গরম রুটি। জমে যাবে!
১০ / ১৪
ষষ্ঠ দিনে পাহাড় থেকে সোজা দক্ষিণের সমুদ্রতটে। মিরিসা ছোট্ট সৈকতশহর, যেখানে দিন কাটে ঢেউ, নারকেল গাছ আর মাছধরা নৌকাদের সঙ্গে। সন্ধ্যায় সমুদ্রের ধারে বসে গ্রিল করা মাছ খাওয়ার আনন্দই আলাদা।
১১ / ১৪
শেষ দিনে ফেরার পথে গল। ডাচ আমলের দুর্গশহর, সমুদ্রের পাশে পাথর বাঁধানো রাস্তা, পুরনো বাড়ি, ছোট্ট ক্যাফে— হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে, শ্রীলঙ্কার আরও কত কিছুই না দেখা বাকি রয়ে গেল!
১২ / ১৪
যাতায়াত ও খরচ: কলকাতা থেকে কলম্বো যাওয়া-আসা মিলিয়ে বিমানভাড়া দু’জনের আনুমানিক ৬৫০০০–৮০,০০০ টাকা। স্থানীয় বাস-ট্রেন, সাধারণ গেস্ট হাউস, খাওয়া ও ঘোরাঘুরি মিলিয়ে আরও ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা।
১৩ / ১৪
মোট বাজেট: দু’জনে মিলে প্রায় ১,২০,০০০ টাকা। আগাম বুকিংয়ে খরচ কমতে পারে। ফেরার দিনের বিমান ধরতে গল থেকে কলম্বো বিমানবন্দরে পৌঁছনোর জন্য যথেষ্ট সময় হাতে রাখা জরুরি।
১৪ / ১৪
ভাবছেন, এইটুকুতে মন ভরল না? শ্রীলঙ্কার সবটুকু কি আর ঠিক মতো দেখা হয়ে উঠল? কুছ পরোয়া নেই। আবার আসবেন না হয়! নতুন করে ছোট্ট দেশটাকে ফিরে দেখতে।
পরবর্তী গ্যালারি
দেবীর পায়ের ছাপ রাখতে চান! লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরের কোন কোন জিনিস বদলে দিতে পারে সংসারের চেহারা?
পুরাণ ও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে সংসারে আসে সুখ-সমৃদ্ধি। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরে কোন কোন জিনিস রাখার কথা বলা হয়? জেনে নিন।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪৭
০১ / ১২
কোজাগরী পূর্ণিমায় ঘরে ঘরে আরাধিত হবেন দেবী লক্ষ্মী। ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবীর আশীর্বাদ পেতে নানা নিয়ম মেনে পুজোর আয়োজন করেন ভক্তেরা।
০২ / ১২
প্রচলিত বিশ্বাস, দেবী লক্ষ্মী আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তির টানেই বেশি সন্তুষ্ট হন। তবে পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি গৃহস্থের পরিবেশ ও কিছু নির্দিষ্ট প্রতীক নিয়েও নানা রীতি প্রচলিত রয়েছে।
০৩ / ১২
০৪ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপকে শুভ ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, গৃহস্থের অশুভ শক্তি দূর করতে এই প্রতীক সহায়ক। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, শুধু পায়ের ছাপ রাখলেই হয় না, কোথায় রাখা হচ্ছে, তা-ও গুরুত্বপূর্ণ।
০৫ / ১২
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বাড়ির সদর দরজায় দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ রাখা শুভ। বিশ্বাস করা হয়, এই পথ দিয়েই দেবী গৃহস্থের ঘরে প্রবেশ করেন। তাই প্রবেশপথে তাঁর পায়ের চিহ্ন রাখার রীতি বহু দিন ধরেই প্রচলিত।
০৬ / ১২
পুরাণ ও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর কৃপায় সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। কর্মক্ষেত্র ও ব্যবসায় উন্নতির পাশাপাশি আর্থিক স্থিতি বজায় থাকুক, এমন কামনাতেই অনেকে বাড়িতে তাঁর পায়ের ছাপ রাখেন। বিশ্বাস করা হয়, এর ফলে সংসারে ইতিবাচক শক্তির পরিবেশ তৈরি হয়।
০৭ / ১২
হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে স্বস্তিক চিহ্নকে শুভ প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়ির প্রবেশপথে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকলে অশুভ শক্তির প্রবেশ বাধা পায়। তাই পুজোর আগে অনেকেই বাড়ির দরজায় এই চিহ্ন আঁকেন।
০৮ / ১২
পুরাণে কুবেরকে ধন-সম্পদের অধিপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই অনেকের বাড়িতে কুবেরের ছবি রাখা হয়। প্রচলিত ধারণা, কুবেরের আশীর্বাদে সংসারে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। তাই লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরে তাঁর ছবি রাখার রীতিও দেখা যায়।
০৯ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পাশাপাশি অনেক বাড়িতে গণেশের মূর্তি রাখার রীতিও রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের আরাধনায় বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সংসারে শুভ শক্তির প্রভাব বজায় থাকে। সেই কারণেই পুজোর আয়োজনের সময় অনেকে বাড়িতে গণেশের মূর্তি রাখেন।
১০ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপকে ঘিরে নানা লোকবিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, বাড়িতে এই চিহ্ন থাকলে ইতিবাচক শক্তির পরিবেশ বজায় থাকে এবং সংসারের আর্থিক টানাপড়েন কমে।
১১ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বদলে পরিচ্ছন্ন ও গোছানো গৃহস্থেই দেবী বিরাজ করতে পছন্দ করেন। তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরদোর পরিষ্কার রাখা এবং পুজোর স্থান পরিচ্ছন্ন রাখার দিকে নজর দেন অনেকে।
১২ / ১২
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে পুজোর নিয়ম পালনের পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশও পরিচ্ছন্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখা জরুরি। তবে এই রীতিগুলি মূলত প্রচলিত ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রভিত্তিক বিশ্বাসের অংশ। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
