Published on
:
1 min read
ইউক্রেনে স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরিষেবা যে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে সম্প্রতি, তা স্বীকার করলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ইন্টারনেটের সমস্যা মিটে গিয়েছে বলে দাবি করেছিল ইউক্রেন। ঘটনাচক্রে, তার পরেই মুখ খোলেন ইলন। জানান, ইউক্রেন শর্ত লঙ্ঘন করে স্টারলিঙ্ককে মানুষ মারার কাজে ব্যবহার করেছে!
শনিবার এক্স হ্যান্ডলে ইলন লেখেন, ‘মানুষ মারার উদ্দেশ্যে ড্রোন হামলায় স্টারলিঙ্কের মতো একটি অসামরিক বাণিজ্যিক পরিষেবা ব্যবহার করার অনুমতি কখনও দেওয়া হয়নি। আর দেওয়া উচিতও নয়। ইউক্রেনের সেনা স্টারলিঙ্কের পরিষেবার শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছে। ব্যবস্থায় যে ফাঁক ছিল, তা আটকানো হয়েছে গত সপ্তাহে।’
কিয়েভ দাবি করেছিল, ইন্টারনেটের অভাবে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কাজ বিঘ্নিত হয়েছে। সেই সময়ে ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রণের কথা অস্বীকার করেছিলেন মাস্ক। এ বার তিনি বিষয়টি স্বীকার করায় সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠছে, কার নির্দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করেছেন তিনি? আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি এই সিদ্ধান্ত নেননি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োও জানিয়েছেন, তাঁদের এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।
তবে স্টারশিল্ডের পরিষেবায় ব্যাঘাতের দায় অস্বীকার করেছেন মাস্ক। স্টারশিল্ড আমেরিকার সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি সামরিক-গ্রেডের স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা। ড্রোন অপারেশন এবং সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্টারশিল্ডকেই কাজে লাগায় ইউক্রেন।