ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুপাশে একসময় চোখে পড়ত ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ। গাবতলী পেরিয়ে সাভারে প্রবেশ করতেই দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়তেন পথচারী ও যাত্রীরা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে বদলে গেছে সেই দৃশ্যপট। সড়কসংলগ্ন প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকা থেকে আবর্জনা অপসারণ করে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় সাত হাজার গাছ।
শুধু সবুজায়নই নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্থাপন করা হয়েছে সোলার প্যানেল ও উইন্ডমিল। সুরক্ষায় রাখা হয়েছে নিরাপত্তাপ্রহরী। এতে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মধ্যে।
সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা জানান, ‘এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে মানুষকে যে কতটা কষ্ট পোহাতে হয়েছে, তা বলার বাইরে। এদিকে অনেক লোকজনের আসা-যাওয়া ছিল, আর ময়লাও অনেক ছিল। এত বড় ও ভালো উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। এখানে গাছ লাগানো হয়েছে এবং যেসব বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে, তা দেখে আমরা এখন খুবই খুশি। কাজটি খুব ভালো হয়েছে। আমরা চাই, ভবিষ্যতেও যেন জায়গাটি এভাবেই সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন থাকে।’
ধলেশ্বরী নদীর পাড়সহ সাভারের আরও কয়েকটি দূষিত এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজায়নের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় প্রশাসন।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ‘আমরা সাভারের বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের আরও অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন করব। ইতিমধ্যে আমরা সেসব জায়গা চিহ্নিতও করেছি। বিশেষ করে আপনারা জানেন, ট্যানারির পেছনে নদীর পাড়বর্তী যে এলাকাটি রয়েছে, সেটিকে আমরা পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছি। আমরা ওই জায়গাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করব।’
উপজেলা কর্মকর্তারা জানান, রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধনের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
