বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী প্রীতি সপ্রু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর অভিনয় জীবনের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। আটের দশকে একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করা এই অভিনেত্রী জানান, কীভাবে পরিচালকদের অন্যায্য আবদার না মানায় তাঁর চরিত্র ছোট করে ক্যামিও বা গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সে নামিয়ে আনা হয়েছিল!
সাক্ষাৎকারে প্রীতি জানান, ১৯৮৪ সালের ‘জাগির’ ছবির শুটিং চলাকালীন পরিচালক তাঁকে নিজের জন্য খাবার বেড়ে পরিবেশন করতে বলেন। প্রীতি একজন অভিনেত্রী হিসাবে এই কাজে রাজি হননা। এর খেসারত হিসাবে পরের দিনই ছবিতে তাঁর মূল চরিত্রটি ছেঁটে ফেলা হয়। প্রীতি যখন প্রতিবাদ জানিয়ে ছবিতে তাঁর নাম ‘গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্স’ হিসেবে রাখতে বলেন, তখন পরিচালক সাফ জানিয়ে দেন, জিনাত আমান ছবিতে থাকায় প্রীতিকে সেই মর্যাদা দেওয়া হবে না এবং তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে টিকতে পারবেন না।
পরিচালক প্রকাশ মেহরা এবং ১৯৮৩ সালের ‘অবতার’ ছবির কোরিওগ্রাফার সুরেশ মাস্টারের আচরণ নিয়েও ওই সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন তিনি। ‘অবতার’ ছবির শুটিংয়ে রাজেশ খান্না ও শাবানা আজমিকে নাম ধরে ডাকলেও নাকি প্রীতি ও শচীন পিলেগাঁওকরকে ‘এই ছেলে' 'ওই মেয়ে’ বলে সম্বোধন করায় তিনি সেট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।
https://www.youtube.com/watch?v=dIQLVUVk9jc
অন্যদিকে, বাবা ডি কে সপ্রুর মৃত্যুর পর প্রীতি যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তখন তাঁকে প্রকাশ মেহরা ‘পাগল’ বলেছিলেন। সুরেশ ওবেরয়ের থেকে বিষয়টি জানতে পেরে প্রীতি সরাসরি প্রকাশ মেহরার মুখোমুখি হন এবং প্রতিবাদ করেন। আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস না করার কারণেই বলি-ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরে যায় বলে জানান অভিনেত্রী।
