১৯৭৩ সালে বিচিত্রার প্রথম বর্ষ ৩৬তম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয় ১৩ এপ্রিল। প্রচ্ছদে এলেন সদ্য মৃত্যুবরণ করা (৮ এপ্রিল) বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো । শিল্পীর প্রতিকৃতিসহ লেখা হয় শিরোনাম ‘একটি শতাব্দীর মৃত্যু’। পিকাসোকে নিয়ে প্রকাশিত প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘একটি শতাব্দীর অবসান’। এ ছাড়া ছিল পিকাসোকে নিবেদিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াধর্মী লেখা। লিখেছিলেন জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, শামসুর রাহমান এবং সৈয়দ শফিকুল হোসেন । কবি ও চিত্রশিল্পীদের এসব গাঁথায় পিকাসোর অমর পরিণতির কথাই প্রতিবিম্বিত হয়েছে। অগ্রন্থিত এ লেখাগুলো আজ পাবলো পিকাসোর ১৪৫তম জন্মদিনে অন্য আলো পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো। সংগ্রহ ও ভূমিকা: আশফাকুর রহমান
বিংশ শতাব্দীর দুনিয়ায় এক দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ের ছাপ পড়তে শুরু করে সবকিছুতে। নানা অবদান ছড়িয়ে যাচ্ছিল ক্রমেই বিশ্বের সব জায়গায়। গ্রহণ-বর্জন আর অনুপ্রেরণায় স্বকীয় শিল্পভাষা বিকশিত হচ্ছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এই সময়ে পাবলো পিকাসো (জন্ম: ২৫ অক্টোবর ১৮৮১ — মৃত্যু: ৮ এপ্রিল ১৯৭৩) বিশ্ব শিল্প ইতিহাসকে সৃজনশীলতার বলয়ে প্রভাবিত করলেন অবশ্যম্ভাবীভাবে। বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলায় প্রথম পর্বে রয়েছে পিকাসো ও কিউবিজমের অনুপ্রেরণা। কিউবিজমকে কেন্দ্রে রেখে পরবর্তী সময়ে গড়ে উঠেছে আরও নানা ধরনের শিল্প প্রবণতা। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রথম পর্বের আধুনিক শিল্পীরা পিকাসোর মৃত্যুতে তাঁকে স্মরণ করবেন স্বাভাবিকভাবেই।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ এপ্রিল ফ্রান্সে মৃত্যুবরণ করেন মহান এই শিল্পী। এর আগের বছর থেকে প্রকাশিত হচ্ছে সাপ্তাহিক বিচিত্রা। ১৯৭৩ সালে বিচিত্রার প্রথম বর্ষ ৩৬তম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয় ১৩ এপ্রিল। প্রচ্ছদে এলেন সদ্য মৃত্যুবরণ করা বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো। শিল্পীর প্রতিকৃতিসহ লেখা হয় শিরোনাম ‘একটি শতাব্দীর মৃত্যু’। পত্রিকাটির ‘সংবাদ শিরোনাম’ অংশে ৯ এপ্রিল তারিখ উল্লেখ করে লেখা হয়, ‘পিকাসো আর নেই।’

এই সংখ্যায় পিকাসোকে নিবেদন করে প্রকাশিত হয় বেশ কয়েকটি লেখা। বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের ধারাবাহিক লেখা ‘শ্রাবণে আশ্বিনে’র এই পর্বটি ছিল পিকাসোকে নিবেদন করে। পিকাসো নিয়ে প্রকাশিত প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘একটি শতাব্দীর অবসান’। এ ছাড়া ছিল পিকাসোকে নিবেদিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াধর্মী লেখা। লিখেছিলেন জয়নুল আবেদিন (জন্ম: ১৯১৪ — মৃত্যু: ১৯৭৬), কামরুল হাসান (জন্ম: ১৯২১ — মৃত্যু: ১৯৮৮), শামসুর রাহমান (জন্ম: ১৯২৯ — মৃত্যু: ২০০৬) এবং সৈয়দ শফিকুল হোসেন (জন্ম: ১৯২৭ — মৃত্যু: ১৯৮৩)। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত সৈয়দ শফিকুল হোসেন ছিলেন বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের (চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যক্ষ।
অগ্রন্থিত এই লেখাগুলো সাপ্তাহিক বিচিত্রা থেকে সংগ্রহ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং বাংলাদেশ অন রেকর্ড-এর আর্কাইভের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। লেখাগুলো পুনরায় সম্পাদনা করতে গিয়ে সমকালীন রীতি অনুসরণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব লেখা কোনো গ্রন্থে অর্ন্তভুক্ত হয়নি। পিকাসোর মৃত্যুর পর ৫৩ বছর আগে প্রকাশিত এসব লেখার প্রাসঙ্গিকতা আজও রয়েছে।
ছোট ছোট এসব লেখায় পিকাসোর মৃত্যুতে ভারাক্রান্ত হৃদয়ের আর্তি ফুটে উঠেছে। কবি ও চিত্রশিল্পীদের এসব গাঁথায় পিকাসোর অমর পরিণতির কথাই প্রতিবিম্বিত হয়েছে। পিকাসোর বৈশ্বিক স্পৃহা ও প্রভাবের কথা এই লেখকেরা লিখেছেন অকপটে। কামরুল হাসান লিখেছেন পিকাসোর লোকশিল্পের প্রভাবের কথা। আবার শিল্পীকে কাছের মানুষ বলে অনুভব করেছেন শামসুর রাহমান।

বিশেষ করে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ফ্রান্সে পিকাসোর বাড়িতে ভ্রমণ ও প্রদর্শনীর কথাও লিখেছেন। এর সূত্র ধরে শিল্পী ও শিল্পশিক্ষক সুমন ওয়াহিদের সহায়তায় শিল্পাচার্যের পুত্র ময়নুল আবেদিনের কাছে সংরক্ষণে থাকা পিকাসো নিয়ে একটি ফটোকার্ডের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ফ্রান্স ভ্রমণের সময় শিল্পাচার্য এই ফটোকার্ড সংগ্রহ করেছিলেন বলে গবেষকেরা ধারণা করেন।

অগ্রন্থিত এই লেখাগুলো সাপ্তাহিক বিচিত্রা থেকে সংগ্রহ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং বাংলাদেশ অন রেকর্ড-এর আর্কাইভের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। লেখাগুলো পুনরায় সম্পাদনা করতে গিয়ে সমকালীন রীতি অনুসরণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব লেখা কোনো গ্রন্থে অর্ন্তভুক্ত হয়নি। পিকাসোর মৃত্যুর পর ৫৩ বছর আগে প্রকাশিত এসব লেখার প্রাসঙ্গিকতা আজও রয়েছে। এসব লেখায় পাওয়া যায় বাংলা ভাষায় পিকাসো চর্চার দৃষ্টান্ত। ২০২৬ সালে পাবলো পিকাসোর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকীতে এসব লেখা শিল্প ইতিহাসকে আবার পাঠ করার সুযোগ করে দেয়।
একজন মানুষের মৃত্যু: জয়নুল আবেদিন

পাবলো পিকাসো মারা গেলেন। কিন্তু সত্যি বলতে কি, তিনি ছড়িয়ে থাকবেন শিল্পের ইতিহাসজুড়ে। তিনি যেন গত-শত শতাব্দীর একজন, তাঁকে মনে হয় আগামী শতাব্দীর কেউ। আসলেও তা–ই, পিকাসো অনাগতকালের শিল্পের সব আন্দোলনকেও নিয়ন্ত্রিত করবেন বিংশ শতকের সাতটি দশকের অনন্য তাঁর অনন্যসাধারণ ব্যক্তিত্বে কীর্তিতে। এই শতাব্দীর এত বড় ব্যক্তিত্বের সম্পর্কে মন্তব্য করতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে হয়, কারণ আমাদের শিল্পচেতনার বিরাট অংশ আচ্ছন্ন পিকাসো দিয়ে। আমি একবার তাঁর দক্ষিণ ফ্রান্সের আবাস ক্যানের ভালোরিজে গিয়েছিলাম। যাবার পথে দেখলাম গাছে গাছে পোস্টার। লোকে বলল পিকাসোর আঁকা পোস্টার। আমি পিকাসোকে দেখেছিলাম, কিন্তু কথা বলতে পারিনি। তার উজ্জ্বল দুটো চোখকে যেন সহ্য করা যায় না। তাঁর চলাফেরা এত প্রচণ্ড বেগবান যে তাঁকে অনুসরণ করা যায় না। তাঁর শিল্পের ইতিহাসও তাই। বিংশ শতকের প্রথম থেকে প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী এবং কখনোই তাঁর ছবিতে বার্ধক্য আসেনি।

পিকাসোর মৃত্যুতে পৃথিবী একজন মানবহিতৈষীকে হারাল। তাঁর ব্যক্তিত্ব শুধু শিল্প ইতিহাসের নয়, মানব ইতিহাসের একজন মানুষ বলেই তিনি চিহ্নিত থাকবেন। মানুষকে ছেড়ে কোনো ছবি তিনি আঁকেননি। মানুষ রূপ, মানুষের সুখ–দুঃখ, কামনা–বাসনারই রূপকার তিনি। তাঁর ছবি ছিল সব সময় বক্তব্য–আশ্রয়ী। ছবি এঁকে তৃপ্তি পেতেন, সে তৃপ্তি তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন। তা সম্মান পেয়েছেন, বেঁচে থেকে কিংবদন্তি হয়েছেন এবং যে কিংবদন্তি অবিনশ্বর।
বিংশ শতাব্দীর সংগ্রামী চিন্তা—পিকাসো: কামরুল হাসান

পিকাসো একটি শিল্পীর নামই নয়, পিকাসো বিংশ শতাব্দীর একটি ব্যক্তিত্ব, একটি সংগ্রামী চিত্ত। পৃথিবীর সচেতন মানুষের কাছে পিকাসো ছিলেন একটি সবল অনুভূতি। পিকাসোকে নিয়ে অনেক বিতর্ক, অনেক ঝড় বিংশ শতকের পাঁচটি দশকজুড়ে। পিকাসোর রেখায় যে ঝড়ের সৃষ্টি, শিল্পের জগতে পিকাসো ছিলেন একচ্ছত্র সম্রাট। সম্রাট বিপ্লবী চিন্তার, সম্রাট কিংবদন্তির। তাই পিকাসো কেবল শিল্পীদেরই নয়, পৃথিবীর মাটির কাছাকাছি যাদের সত্তা—পিকাসোর সত্তাও সেখানে ঘুরেছে, ফিরেছে।
লোকে বলল পিকাসোর আঁকা পোস্টার। আমি পিকাসোকে দেখেছিলাম, কিন্তু কথা বলতে পারিনি। তার উজ্জ্বল দুটো চোখকে যেন সহ্য করা যায় না। তাঁর চলাফেরা এত প্রচণ্ড বেগবান যে তাঁকে অনুসরণ করা যায় না। তাঁর শিল্পের ইতিহাসও তাই। বিংশ শতকের প্রথম থেকে প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী এবং কখনোই তাঁর ছবিতে বার্ধক্য আসেনি।
এই পিকাসো কখনো তাঁর ক্যানভাসে, কখনো আনন্দ উৎসবে, কখনো কখনো নিভৃতে নির্জনে সর্বহারাদের চিন্তায় শিহরিত। যদিও পিকাসোর সৃষ্টি সর্বকালের সর্বস্তরের মানুষের। আমার কাছে পিকাসো সেভাবেই এসেছিল, তার ছবিতে রেখাতে। সাদাচোখে পিকাসো দেখিনি, কিন্তু শিল্পের সন্ধানে যেখানেই গিয়েছি, যেখানেই যে শিল্পের মাঝে লোকজীবনের ছাপ দেখেছি, সে বাংলারই হোক, অন্য দেশেরই হোক, পিকাসোর চোখ কোনো কিছু এড়িয়ে যায়নি বলে মনে হয়েছে। নতুন–পুরোনো এবং নিজের সবকিছু ওলট–পালট করে দিয়েও পিকাসো থাকতেন মাটির কাছাকাছি। মানুষের কাছাকাছি এখনো আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।
মানবতার একাংশ ক্ষয়ে যায়, তাই শোক: শামসুর রাহমান

চিত্রকলার সমঝদার নই, তবে ছবি দেখতে ভালোবাসি, মাঝেমধ্যে চিত্রকলাবিষয়ক বইয়ের পাতা ওলটাই। সেই সুবাদেই পিকাসোর সঙ্গে আমার পরিচয়। এই মজাদার জীবননিষ্ঠ শিল্পী মানুষটি তাঁর শিল্পগুণে তো বটেই, বর্ণিল জীবনের সমৃদ্ধ চমকেও আমাকে অভিভূত করেছেন। এবং কবুল করতে দ্বিধা নেই, আমার চৈতন্যপ্রবাহে এই জ্বলজ্যান্ত চিত্রকরের চিত্রমালা গভীর ছায়া ফেলেছে। আমাকে বারবার সচকিত করেছে তাঁর হলদে ইহুদির মুখ, পাখা হাতে রমণী ইত্যাদি ছবি। গার্নিকা ম্যুরাল তো আমাকে স্বকালের এক নারকীয়, নৃশংস পরিবেশের মধ্যেই টেনে রাখে। দেখি মৃত্যুর ঝরে-পড়া সেই ত্রস্ত, আর্ত ঘোড়াকে কেমন আত্মীয় মনে হয়।
পিকাসো একটি শিল্পীর নামই নয়, পিকাসো বিংশ শতাব্দীর একটি ব্যক্তিত্ব, একটি সংগ্রামী চিত্ত। পৃথিবীর সচেতন মানুষের কাছে পিকাসো ছিলেন একটি সবল অনুভূতি। পিকাসোকে নিয়ে অনেক বিতর্ক, অনেক ঝড় বিংশ শতকের পাঁচটি দশকজুড়ে। পিকাসোর রেখায় যে ঝড়ের সৃষ্টি, শিল্পের জগতে পিকাসো ছিলেন একচ্ছত্র সম্রাট। সম্রাট বিপ্লবী চিন্তার, সম্রাট কিংবদন্তির। তাই পিকাসো কেবল শিল্পীদেরই নয়, পৃথিবীর মাটির কাছাকাছি যাদের সত্তা—পিকাসোর সত্তাও সেখানে ঘুরেছে, ফিরেছে।
পাবলো পিকাসোকে বরাবরই আমার তাঁর ওই ভিনদেশি উল্লোল জীবন সত্ত্বেও অত্যন্ত কাছের মানুষ বলে মনে হয়েছে। জীবনের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ, মানুষের সঙ্গে নৈকট্যবোধ, ভয়ংকরের মধ্য দিয়ে মানবসত্তার উত্তরণে বিশ্বাস—এই সবকিছু দিয়েই তিনি আমাকে কিনে নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে খুব চেনা একজনকেই হারালাম এ কথা উচ্চারণ করতে আমার দ্বিধা নেই। এমন মানুষের প্রয়াণে মানবতারই একাংশ ক্ষয়ে যায়, তাই শোক।
পিকাসো বেঁচে থাকবেন যত দিন বিশ্ব ইতিহাস আছে: সৈয়দ শফিকুল হোসেন

শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ শিল্পী পাবলো পিকাসো পরলোকগমন করেছেন। ঠিক এই মুহূর্তে আমাদের সবার অনুভূতি হচ্ছে: অকস্মাৎ একটি উজ্জ্বল দীপশিখা নিভে গেছে। যার আলোকে আলোকিত ছিলেন বিশ্বের শিল্পগোষ্ঠী। পিকাসোর মরদেহ আজ আমাদের মাঝে নেই, কথাটি রূঢ় সত্য হলেও পিকাসো আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছেন, এ কথা সত্যি নয়। পিকাসো বেঁচে থাকবেন যত দিন বিশ্ব ইতিহাস আছে, বিশ্বে শিল্পকলার চর্চা আছে। পিকাসো ভালোবেসেছেন মানুষকে, বিশ্ব-প্রকৃতিকে। আর তাঁর এই ভালোবাসা রঙে, রেখায়, বৈচিত্র্যে, শিল্পকলার বিভিন্ন শাখায় প্রকাশ পেয়েছে অপূর্ব বর্ণাঢ্যে। পিকাসো কত বড় ছিলেন তার পরিমাপ আমরা আজ করতে অক্ষম—যত দিন যাবে, তাঁর প্রতিভার বিভিন্ন দিক ধীরে ধীরে আমাদের কাছে উন্মোচিত হবে—আমরা বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁকে দেখতে পাব। তাঁর প্রতিভা কত বেশি বিস্তৃত ছিল, সে পরিমাপও এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তার তিরোধানে আজ শুধু আমরা জানাতে পারি শিল্পী পিকাসো, মানুষ পিকাসোকে আমরা আমাদের অন্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
