বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ ২০ অক্টোবর। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর এটি পালিত হয়। প্রতি পাঁচ বছর পরপর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালন করা হয়। সে হিসাবে বিশ্বের ১৪০টি দেশের মতো বাংলাদেশেও গত বছর পালন করে। তাই এবার এ দিবস উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।
বিবিএস প্রতি মাসে বাজারের তথ্য নিয়ে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ছাড়াও বিভিন্ন ইস্যুতে মাঝে মাঝে বিভিন্ন জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কিন্তু এসব প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশে পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। এই নিয়ে অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সব মহলে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে।
এমন পরিস্থিতি থেকে সরে আসার চেষ্টা করেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স গঠন করেন। যাতে বিবিএস স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। বিশ্বাসযোগ্য সরকারি ডাটা উৎপাদন হতে পারে। গত বছর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসে ট্রাস্কফোর্সের প্রতিবেদন পেয়ে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছিলেন ‘বিবিএস এখন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। বিবিএসের তথ্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। তথ্য লুকোচুরি বা কারসাজি করা যাবে না। তারা সরকারের অনুমোদন ছাড়া যেকোনো জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারবে। এখন আর কাউকে দেখানোর প্রয়োজন হবে না।’
টাস্কফোর্স প্রতিবেদন হস্তান্তরের সময় ড. হোসেন জিল্লুর রহমানও বলেছিলেন, ‘পরিসংখ্যান সমাজের মানবজীবনের অপরিহার্য অংশ। বিবিএসকে মানসম্মত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। কারণ সময়মতো মানসম্মত তথ্য জ্বালানির মতো।’
কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হলেও মূল্যস্ফীতির তথ্য নিয়ে এখনো অনেকের প্রশ্ন জাগে। কারণ গত ২১ সেপ্টেম্বর অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ায় সরকার। এতে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়েছে। ফলে বাজারে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, মাংসের দামও বেড়ে গেছে। তারপরও বিবিএস জানায়, মূল্যস্ফীতি তেমন বাড়েনি। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ হয়েছে। আগস্টে এই হার ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। অথচ বাজারে ক্রেতারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক ক্রেতাই উচ্চমূল্যের কারণে এসব পণ্য কিনতে পারছেন না।
আরও পড়ুন
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
-->দেশব্যাপী চলমান শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকার বাইরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরসূচি অনুযায়ী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন। আজ সকালে তিনি প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী এবং সর্বশেষে চট্টগ্রাম যাবেন।
তিনি আরও বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।
চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে একই দিন রাতেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
এরপর রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে দুপুর ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় ভাষণ দেবেন।
রাজশাহী থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে তিনি বিমানযোগে ঢাকা ফিরবেন।
এর আগে গত রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. জুবাইদা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।
আজ উদযাপিত হবে দুর্গাপূজার মহানবমী। আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।
আরও পড়ুন
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে চাই: পরিবেশমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।ছবি: খবরের কাগজ
-->ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
তিনি বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ফেনী শহরের জয়কালী মন্দিরের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। আমাদের পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে কে হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, সেটি বড় কথা নয়। সবাই নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করবেন। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘সব ধরনের সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের ঊর্ধ্বে উঠে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, ‘আমরা অতীতেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। আমরা সবাই মিলেমিশে বসবাস করব।’
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল এবং জেলা পূজা ঐক্য ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞান শর্মা।
এ সময় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী তার নির্বাচনি আসন ফেনী-৩-এর সোনাগাজী উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি সাতবাড়ীয়া রাধাগোবিন্দ মন্দিরও পরিদর্শন করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন বাবলু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দীক মারুক, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমর দাসসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তোফায়েল আহাম্মদ/রিফাত/
আরও পড়ুন
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালা। ছবি: সংগৃহীত
-->ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দিলীপ আগারওয়ালার বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার সূত্র ধরে সিআইডির অনুরোধে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলাটি কী বিষয়ে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। সে সময় তার বিরুদ্ধে সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ ছিল। ওই দিন মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে ঢাকার বাড্ডায় হৃদয় আহমেদ নামের এক কিশোরকে হত্যার মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
পরে জামিনে মুক্তি পান দিলীপ কুমার আগারওয়ালা। এবার সিআইডির একটি মামলার সূত্র ধরে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়।
রিফাত/
আরও পড়ুন
সৌদি আদালতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপি চেয়েছে বাংলাদেশ
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সৌদি আরবের আদালতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে রায়ের কপি চেয়েছে বাংলাদেশ। তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তথ্য চাওয়ার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা রায়ের কপি হাতে পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানাতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে পারব।’
তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন পুরুষ ও একজন নারী প্রবাসী সম্পর্কে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ। একই সঙ্গে ফেসবুকের পোস্ট দেখে সিদ্ধান্তে না পৌঁছাতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, নথিপত্র পাওয়ার পর ঢাকা বিষয়টি পর্যালোচনা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।
শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। এখন জেদ্দার উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বিরতিতে দেশটিতে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের নাম ও পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সেখানে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে পাঠায় বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এই দুই ব্যক্তির নাম ওই তালিকায় রয়েছে কি না, আমরা তা যাচাই করছি।’
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিরা যেন নিরাপদে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও সরকারের রয়েছে। আমরা সবসময় সেই বিষয়টি মাথায় রাখি।
তিনি বলেন, ‘অনুগ্রহ করে ধৈর্য ধরুন এবং আমাদের রায়ের কপি পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর আমরা বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানাতে পারব।’
সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর সঙ্গে সরকার যোগাযোগ করেছে কিনা জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ জানান, মন্ত্রণালয়ের কাছে এখনও বিস্তারিত তথ্য নেই এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সৌদি আরবের প্রতিক্রিয়াকে ‘খুবই ইতিবাচক’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সৌদি আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। দেশটি রেমিট্যান্সেরও অন্যতম বড় উৎস হিসেবেও দেশটির গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
নাঈম/
