ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠের শ্রমিক-অধ্যুষিত এলাকার স্কুলের সামনের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে টুনবার্গ প্যারিসের উত্তরে অবস্থিত সেন্ট-ডেনিসের ‘লিসে পল এলুয়ার্ড' স্কুলের সামনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘সারা বিশ্ব থেকেই আমরা এই ঘটনাপ্রবাহের ওপর নজর রাখছি৷ তরুণরা তাদের মৌলিক অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে দেখে আমরা অনুপ্রাণিত৷''
উল্লেখ্য, প্যারিসের এই স্কুলেই চলমান বিক্ষোভ আন্দোলন প্রথম জোরদার হয়ে উঠেছিল৷
সকাল থেকে রাজধানী প্যারিস ও দেশের অন্যান্য শহরের বিভিন্ন স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে৷ শিক্ষার্থীদের অনেকের হাতেই ছিল প্ল্যাকার্ড ও মেগাফোন৷
সারা দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ভিড় এবং ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থার পরিবর্তনের দাবিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় শত শত স্কুল অবরোধ এবং অনেক ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে৷
ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী এডুয়ার্ড জেফ্রে জানিয়েছেন এই মুহূর্তে সারা দেশে প্রায় ২০০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে৷ তিনি জানান, ২০০-র মধ্যে কিছু স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে মূলত নিরাপত্তামূলক সতর্কতার অংশ হিসেবে৷
প্যারিসে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে টুনবার্গ আরো বলেন, ‘‘স্কুলে পর্যাপ্ত অর্থায়ন না থাকা, কিংবা জলবায়ু সংকট বা সামাজিক অবিচারের সংকট— তরুণদের জন্য সব মিলিয়েই এখন এগিয়ে আসার এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধার করার উপযুক্ত সময়৷''
কৈশোরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে সারা বিশ্বে পরিচিতি পেলেও একসময় আন্দোলনের পরিধি অনেক বাড়িয়ে দেন থুনবার্গ৷ তিনি মনে করেন, চলমান বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের আরো ব্যাপক সমর্থন পাওয়া উচিত৷
এসিবি7 জেডএইচ (রয়টার্স)
