জুড়ীতে কাবিন-বাণিজ্য ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ১০:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একই নারীর সঙ্গে দুই দফা বিয়ের কাবিননামা তৈরি এবং দেনমোহর নিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও করেছেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কাজি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জুড়ীতে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইমান উদ্দিন। তিনি রশিদ আহমদের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে ইমান উদ্দিন বলেন, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের হেলাল মিয়ার মেয়ে তানজিনার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। কিছুদিন পর তাঁদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান এবং আর সংসার করবেন না বলে জানান।
ইমান উদ্দিনের দাবি, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট দুই পরিবারের সম্মতিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। দক্ষিণভাগের ছানি কাজি হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ সময় স্ত্রীকে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর দেওয়ার শর্তে একটি ৩০০ টাকার খালি স্ট্যাম্পে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিন মাসের মধ্যে টাকা দিয়ে স্ট্যাম্প ফেরত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই বছরের ৩০ অক্টোবর কাজি তাঁকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে দুটি কাগজে স্বাক্ষর নেন। কাগজগুলো বিচ্ছেদের নথি বলে জানানো হয়েছিল। পরে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিতে গেলে কাজি জানান, তানজিনার সঙ্গে তাঁর পুনরায় বিয়ে হয়েছে। এবার দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে চার লাখ টাকা। স্ট্যাম্প ফেরত পেতে হলে ওই টাকা দিতে হবে বলেও জানানো হয়।
ইমান উদ্দিনের অভিযোগ, ভয়ভীতি ও চাপের মুখে তিনি আবার তানজিনার সঙ্গে সংসার শুরু করেন। কিছুদিন পর তানজিনা তাঁর ঘর থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে চলে যান। এরপর তাঁকে, তাঁর বৃদ্ধ বাবা ও ভাইবোনদের আসামি করে যৌতুকসহ বিভিন্ন মামলা দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইমান উদ্দিন এসব ঘটনার বিচার এবং মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিকার চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানান।
অভিযোগ অস্বীকার করে কাজি হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে বলেন, তিনি আইন অনুযায়ী কাবিননামা সম্পন্ন করেছেন।
