সরকারি আবাসন বরাদ্দ / শতভাগ অনলাইন কার্যক্রমের উদ্বোধন
সরকারি আবাসন বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শতভাগ অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রথম বরাদ্দ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে অটোমেটিক অ্যালোকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি আবাসনের আবেদন গ্রহণ, আবেদন ব্যবস্থাপনা এবং বরাদ্দ প্রক্রিয়ার সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এ সময় ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরকারি আবাসন বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ, গতিশীল ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এমপি, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সরকারি আবাসন বরাদ্দ কার্যক্রমে শতভাগ অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি, বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি সেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়

রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দির পরিদর্শন করেছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিরাপত্তা সমন্বয় নিশ্চিত করতে তিনি এ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং রমনা কালীমন্দির সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও দিকনির্দেশনায় দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিজিবি পালন করছে। ইতোমধ্যে বিজিবির সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা সরেজমিনে পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করেছেন। সীমান্তের যেসব পূজামণ্ডপ বিজিবির বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিজিবির সদর দপ্তর, রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের আশপাশে অবস্থিত পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা তদারকি ও দ্রুত সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিজিবি সদর দপ্তরে একটি সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বিজিবির সদস্যরা পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সারা দেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হতে পারে। বিজিবি মহাপরিচালকের পরিদর্শনকালে বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড ট্রেনিং), ঢাকা সেক্টর কমান্ডারসহ বিজিবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতা: সমস্যা কোথায়, করণীয় কি?
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের ভিসা নিয়ে অনিশ্চয়তা নতুন করে প্রবাসী সমাজে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কেউ নতুন ভিসা পেতে সমস্যায় পড়ছেন, কেউ নবায়ন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, আবার কেউ ছুটিতে বাংলাদেশে এসে ভিসা বাতিলের খবর পেয়ে কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। তবে এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গেলে শুধু ভিসা বাতিলের সংখ্যা কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকে তাকালেই হবে না; দেখতে হবে ভিসার শর্ত, অভিবাসনবিধি, নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং প্রবাসীদের ব্যক্তিগত দায়িত্বের বিষয়গুলোও। আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ নিয়মিত চাকরি করেন, ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং পরিবারের ভরণপোষণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন। তাঁদের অনেকেই বছরের পর বছর বৈধভাবে বসবাস করে দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। কিন্তু কিছু ব্যক্তির অনিয়ম, জাল কাগজপত্র ব্যবহার কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা পুরো বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এর প্রভাব বৈধভাবে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক নতুন আবেদনকারীদের ওপরও পড়ার আশঙ্কা থাকে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান বোঝার জন্য রেমিট্যান্সের পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ৮.৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই এসেছে প্রায় ২.৭৫ বিলিয়ন ডলার। এই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক লেনদেন এবং অসংখ্য পরিবারের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশভিত্তিক হিসাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে আমিরাত থেকে এসেছে প্রায় ৫০৫.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই সময়ে সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি রেমিট্যান্স আসায় আমিরাত ছিল দেশভিত্তিক তালিকার চতুর্থ স্থানে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রেমিট্যান্সের উৎস। এই আয় পাঠানোর পেছনে রয়েছেন অসংখ্য বাংলাদেশি শ্রমিক, কর্মী ও ব্যবসায়ী, যাঁদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ ভিসার স্থিতিশীলতার সঙ্গে জড়িত। ভিসা আবেদন একটি আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। আবেদনকারীর পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির তথ্য, নিয়োগকর্তার নথি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাল সনদ, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, ভুল তথ্য কিংবা অসাধু মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভিসা প্রত্যাখ্যান, নবায়নে জটিলতা কিংবা অন্যান্য আইনি সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জাল কাগজপত্র বা প্রতারণার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা বৈধভাবে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক অন্যদের জন্যও সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অনিয়মের কারণে যাচাই-বাছাই আরও কঠোর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে প্রকৃত যোগ্যতা ও বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও অন্য আবেদনকারীদের অতিরিক্ত যাচাই কিংবা দীর্ঘসূত্রতার মুখোমুখি হতে হতে পারে। ভিসা জটিলতার কারণ হিসেবে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে। কিছু বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী বা ‘স্কিলড’ ক্যাটাগরিতে ভিসা নিয়ে নির্দিষ্ট পেশায় কাজ করার চুক্তি করলেও বাস্তবে অন্য ধরনের কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এ ধরনের ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে কর্মীর যোগ্যতা, ভিসায় উল্লেখিত পেশা, নিয়োগকর্তার তথ্য এবং প্রকৃত কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। ফলে নিয়োগপ্রক্রিয়া ও কাজের অনুমতি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সতর্কতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়েরই উচিত চুক্তির শর্ত মেনে চলা এবং কাজ বা পেশা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। প্রবাসীদের মধ্যে ভিসার শর্ত সম্পর্কে অস্পষ্ট ধারণাও কখনো কখনো জটিলতা বাড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, আমিরাতের সাধারণ নিয়মে আবাসিক ভিসাধারী কেউ টানা ১৮০ দিনের বেশি দেশের বাইরে থাকলে সাধারণত তাঁর আবাসিক অনুমতি বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে এ নিয়মের ব্যতিক্রম রয়েছে এবং ভিসার ধরন ও ব্যক্তির পরিস্থিতি অনুযায়ী বিধান ভিন্ন হতে পারে। তাই ছুটিতে বাংলাদেশে যাওয়ার আগে নিজের ভিসার শর্ত যাচাই করা, প্রয়োজন হলে নিয়োগকর্তা বা স্পনসরের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত তথ্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, ভিসা ও অভিবাসনবিধি ছাড়াও স্বাগতিক দেশের জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা এবং অনুমতিহীন সমাবেশ-সংক্রান্ত আইন মেনে চলা বিদেশি নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দেশে বসবাসের অর্থ শুধু চাকরি করা বা ব্যবসা পরিচালনা নয়; সেই দেশের আইন ও সামাজিক নিয়মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল থাকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ, অনুমতি ছাড়া সমাবেশে অংশগ্রহণ কিংবা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে গুরুতর পরিণতি হতে পারে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বিভিন্ন নামে-বেনামে গড়ে ওঠা সংগঠন, রাজনৈতিক দলের শাখা এবং মাত্রাতিরিক্ত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টিও আলোচনায় রাখা প্রয়োজন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। তবে অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের ক্ষেত্রে এমন কর্মকাণ্ড একই মাত্রায় দেখা যায় না। প্রবাসে সংগঠন গঠন কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা নিজে থেকেই অপরাধ নয়; কিন্তু এসব কার্যক্রম আমিরাতের প্রচলিত আইন, অনুমতির শর্ত ও জনশৃঙ্খলার বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া জরুরি। অসংখ্য সংগঠন, রাজনৈতিক দলের শাখা এবং মাত্রাতিরিক্ত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন এসব সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা নিয়ে। বিশেষ করে অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি কিংবা আইনবিরোধী সাংগঠনিক তৎপরতা ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের জন্য আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। কোনো সংগঠনের কর্মকাণ্ডের কারণে যেন সাধারণ ও আইন মেনে চলা বাংলাদেশি প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, ভিসা কিংবা সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। যেমন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমিরাতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘটনায় ৫৭ জন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কঠোর সাজা ঘোষণার ঘটনা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ওই ঘটনায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫৩ জনকে ১০ বছর এবং একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আমিরাতের প্রেসিডেন্ট তাঁদের ক্ষমা করেন এবং দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনাটি প্রবাসীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। স্বাগতিক দেশের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো অসাধু দালাল ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রতারণা। বিদেশে চাকরি কিংবা ভিসার আশায় অনেক মানুষ তাঁদের সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করেন। কেউ কেউ ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, অবাস্তব বেতনের প্রতিশ্রুতি কিংবা দ্রুত ভিসা করে দেওয়ার আশ্বাসে প্রতারিত হন। কেউ প্রয়োজনীয় নথি যাচাই না করেই অর্থ দিয়ে বসেন, আবার কেউ জানেন না যে তাঁদের হয়ে জমা দেওয়া কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা কতটা জরুরি। এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে অনুমোদিত নিয়োগপ্রক্রিয়া অনুসরণ, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ সংরক্ষণ এবং ভিসা বা চাকরির তথ্য সরকারি বা অনুমোদিত সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও কনস্যুলেট এবং জনশক্তি নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব রয়েছে। বিদেশে যাওয়ার আগে কর্মীদের জন্য সহজবোধ্য তথ্য ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা যেতে পারে। কোন ধরনের ভিসায় কী শর্ত প্রযোজ্য, চাকরির চুক্তিতে কী কী বিষয় যাচাই করতে হবে, নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করলে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় এবং ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যা হলে কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে, এসব তথ্য বাংলায় সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া দরকার। আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠন, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমও এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। গুজবের পরিবর্তে যাচাইকৃত তথ্য প্রচার, ভিসা-সংক্রান্ত নিয়মের ব্যাখ্যা এবং প্রতারণার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। কোনো ভিসা বাতিলের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে যাচাই ছাড়াই সেটিকে সবার জন্য প্রযোজ্য নিয়ম হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়। এতে অযথা আতঙ্ক ছড়ায় এবং অসাধু ব্যক্তিরা সেই সুযোগে প্রতারণার সুযোগ নেয়। একই সঙ্গে বৈধ প্রবাসীদের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার বিষয়টিও উপেক্ষা করা যাবে না। কোনো ব্যক্তি দীর্ঘদিন নিয়ম মেনে বসবাসের পর ভিসা বাতিলের শিকার হলে তাঁর কাছে সিদ্ধান্তের কারণ জানার সুযোগ থাকা উচিত। ভুল তথ্য, প্রশাসনিক জটিলতা কিংবা অন্য কোনো সমস্যার কারণে সিদ্ধান্ত হয়ে থাকলে তা পর্যালোচনার কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। যাঁদের অভিযোগের যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে, তাঁদের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। আর যাঁদের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাঁদের বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে সরকার ও ব্যক্তির দায়িত্বকে একে অপরের বিপরীতে দাঁড় করানোও সমাধান নয়। সরকারকে কূটনৈতিক যোগাযোগ, তথ্য যাচাই, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যদিকে, প্রত্যেক প্রবাসীকে নিজের কাগজপত্রের সত্যতা, ভিসার শর্ত, চাকরির বৈধতা এবং স্বাগতিক দেশের আইন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতারণার আশ্রয় নিলে তার দায় নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা উচিত; সেই দায় পুরো বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর ওপর চাপানো ন্যায়সংগত নয়। আমিরাতে বাংলাদেশিদের ভিসা পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ তথ্য, দায়িত্বশীল আচরণ এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ। ভিসা বাতিলের প্রকৃত কারণগুলো চিহ্নিত করা গেলে কোন সমস্যার সমাধান কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব, কোথায় প্রশাসনিক পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন এবং কোথায় ব্যক্তিগত অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তা স্পষ্ট হবে। বিদেশে কর্মসংস্থান বাংলাদেশের লাখো পরিবারের জীবিকার সঙ্গে জড়িত। তাই একজন প্রবাসীর অনিয়ম যেমন অবহেলার বিষয় নয়, তেমনি কোনো বৈধ প্রবাসীর ন্যায্য অধিকারও উপেক্ষা করা যায় না। জাল কাগজপত্র, প্রতারণা ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা যেমন প্রত্যেকের দায়িত্ব, তেমনি বৈধভাবে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক মানুষের জন্য স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করাও জরুরি। ব্যক্তির অনিয়মের দায় ব্যক্তির ওপরই নির্ধারিত হোক, আর বৈধ প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসুক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই ভারসাম্যই হতে পারে ভিসা জটিলতা কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।

‘আমি যতদিন বেঁচে আছি, আমার হিন্দু ভাই-বোনেরা বুক উঁচু করে চলবেন’
হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলার মন্দিরগুলোতে সরকারি অনুদানের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। দুলু বলেন, ‘আমি যত দিন বেঁচে আছি, আমার হিন্দু ভাই-বোনেরা বুক উঁচু করে চলবেন। কেউ বাঁকা চোখে তাকালে কিংবা হুমকি-ধমকি দিলে আমাকে টেলিফোন করবেন। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।’ তিনি বলেন, হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে অতীতে কোনো বিভেদ বা বৈষম্য ছিল না। ঈদ ও পূজা ছিল সবার সম্মিলিত উৎসব। একে অপরের বাড়িতে যাওয়া-আসা এবং আনন্দ ভাগাভাগি করার মধ্য দিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকত। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। হুইপ বলেন, নাটোর ও নলডাঙ্গা তাঁর নির্বাচনী এলাকা। এ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। অনুষ্ঠানে নাটোর সদর উপজেলার ৮২টি এবং নলডাঙ্গা উপজেলার ৫৯টি মন্দিরে সরকারি অনুদানের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাহার আলী, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন ও সাইফুল ইসলাম আফতাবসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

ডাক বিভাগকে আধুনিক ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কাজ করছে সরকার
ডাক বিভাগকে আধুনিক, জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে বিশ্ব ডাক দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ডাকসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে এবং পার্সেল সেবায় ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ডাক বিভাগকে আধুনিক ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাক বিভাগে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে চায় বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। আগামী দিনে ডাক বিভাগের সেবার মান, আয় ও সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নগদ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের এই মুহূর্তে নেই। বরং প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি চালুর লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি প্রক্রিয়া ও পরীক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, কাজের স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন কর্মীদের উৎসাহিত করে। তাই যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদানের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ের ডাকঘর ও কর্মীদের কাজের মূল্যায়নে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন, ডাক বিভাগের বিদ্যমান অবকাঠামো ও দেশব্যাপী বিস্তৃত পোস্ট অফিস নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ডাকসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে ডাকসেবার সংস্কার ও রূপান্তরের পাশাপাশি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় এবং ডাক বিভাগের ফ্র্যাঞ্চাইজি কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সচিব আরও বলেন, ডাকসেবার প্রচার-প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকর ব্যবহার বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতে পুরস্কার কার্যক্রমে নতুন প্রতিভার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এ বছর বিশ্ব ডাক দিবসের প্রতিপাদ্য “One Postal Network, Infinite Possibilities”—“সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা”। গত ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস উদযাপনের ধারাবাহিকতায় ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ডাকসেবা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষ্যে এ বছরের প্রতিপাদ্যের ওপর আজ একটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়। ডাকসেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে এবং দেশব্যাপী চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসহ মোট ২৬টি স্থানে চিঠি উৎসব, ডাকটিকিট প্রদর্শনী ও ডাকসেবা মেলার আয়োজন করা হয়। এসব চিঠি উৎসবে প্রায় ৪ হাজার ৬৪৩টি চিঠি ইস্যু করা হয়, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হাতে চিঠি লেখার আগ্রহ ও চর্চা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। অনুষ্ঠানে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৫ জন শিক্ষার্থী, ৫৫তম আন্তর্জাতিক পত্রলিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৩ জন, পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রমে অসাধারণ অবদানের জন্য ৪ জন কর্মচারী, লেটার পোস্ট সেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য ৬ জন কর্মচারী, ডাকসেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য ৫ জন কর্মকর্তা এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট ও নগদ সেবা ক্যাটাগরিতে অসাধারণ অবদানের জন্য ৬ জন প্রতিনিধিসহ মোট ২৯ জনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ডাক বিভাগের সেবার পরিধি সম্প্রসারণ, সেবার মানোন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে বিশ্ব ডাক দিবস ও ডাকসেবা সপ্তাহের এসব আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম এর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

