চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠান সরকারের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে বেসরকারীভাবে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ) হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ১৫ তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষঃ ২০১৯-২০২০) গ্রাজুয়েটদের ইন্টার্নশীপ প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই কথা বলেন।
- Advertisement -
কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট জনাব সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএম এন্ড ডি.সি’র সদস্য এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী ও অত্র মেডিকেল কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম আজাদ, কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জনাব আবদুল মান্নান রানা, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারী মো. জাহিদুল হাসান, ট্রেজারার অধ্যক্ষ লায়ন ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, কার্যনির্বাহী কমিটির মেম্বার জনাব তারিকুল ইসলাম তানভীর, অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দিন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির মেম্বার জনাব মো. সাইফুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মহিউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে নবীন চিকিৎসকদেরকে শপথ পাঠ করান অত্র মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া। তিনি নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিচালক (মেডিকেল এ্যাফেয়ার্স) ডা. এ.কে.এম. আশরাফুল করিম। অনুষ্ঠানে নবীন চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে মাননীয় মেয়র মহোদয়কে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন।
প্রধান অতিথি আরও বলেন যে, ডেঙ্গু জ্বর মূলত এডিশ মশা থেকে ছড়ায়। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। মেয়রের নেতৃত্বে ডেঙ্গুর বাহক ও প্রজনন রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। সচেতনতায় কমাতে পারে এই রোগ। রোগীর প্রতি মানবিক হওয়ার জন্য প্রধান অতিথি নবীন চিকিৎসকদের পরামর্শ প্রদান করেন। চিকিৎসা পেশাকে প্রকৃত সেবা হিসেবে মনে করার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি বক্তারা অনুরোধ করেন। বক্তারা নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা ও আন্তরিক দিয়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করবেন। রোগীদের সন্তুষ্টিই চিকিৎসকের দায়িত্ব নির্ভর করে। ইন্টার্নশীপকালীন সময়ের শিখন অভিজ্ঞতা ও কর্মক্ষেত্রে বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন। পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কাজের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার মানসিকতা বজায় রাখার উপরে বক্তারা নবীন চিকিৎসকদেরকে পরামর্শ প্রদান করেন।
ডা. তামহীদা বিনতে ইব্রাহীমের প্রানবন্ত ও সাবলীল উপস্থাপনায় উক্ত অনুষ্ঠানে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রি-ক্লিনিক্যাল, প্যারা-ক্লিনিক্যাল এবং ক্লিনিক্যাল বিভাগের সর্বস্তরের অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, সিনিয়র কনসালটেন্ট, কনসালটেন্ট, জুনিয়র কনসালটেন্ট, রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান, রেসিডেন্ট সার্জন, কিউরেটর, প্রভাষক, রেজিষ্ট্রার, সহকারী রেজিষ্ট্রার, মেডিকেল অফিসার, ইন্টার্ণী ডাক্তার, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, নার্স, নার্সিং শিক্ষার্থী এবং কর্মচারী স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন।
‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’—ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে মেয়র শাহাদাতের আহ্বান
