

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রাতের আঁধারে এক কৃষকের ফলন্ত মাল্টাগাছ ও কলাগাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দিনগত গভীর রাতে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবখালী গ্রামের ছটাঙ্গাপাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৯৫টি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী কৃষক মোঃ আব্বাস আলীর।
জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন ওই কৃষক। তবে কারা গাছগুলো কেটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।
দশমিনায় খালে পরে ২ বছরে শিশুর মৃত
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় খালে পরে আরিয়ান নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের খলিশা খালি গ্রামে রাড়ী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আরিয়ান ওই এলাকার রাড়ি বাড়ির আসাদুল রাড়ির ছোট ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত আরিয়ান পরিবারের সদস্যদের আগা চড়ে তাদের বসতঘরের পিছনের খালে পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে পড়ে যায়। পড়ে তার মা ও বাবা খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে এক পর্যায়ে স্থানীয়দের সহযোগিতা ওই খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিয়ানকে মৃত ঘোষণা করেন। এতথ্য নিশ্চিত করেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সাগর।

মান্দায় কাঙ্ক্ষিত সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ
নওগাঁর মান্দায় চাহিদার তুলনায় সার বরাদ্দ কম পাওয়ায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কৃষকরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত সার না পেয়ে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের জয়বাংলা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, আগাম জাতের আলু, সরিষা, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষের মৌসুম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে জমি প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন তারা। কিন্তু চাষাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই গভীর রাত থেকে সার সংগ্রহের আশায় লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কালিকাপুর ইউনিয়নে বর্তমানে ২ হাজার ৫০০ বস্তা ডিএপি, ২ হাজার ৫০০ বস্তা এমওপি (পটাশ) ও ১ হাজার বস্তা টিএসপি সারের চাহিদা রয়েছে। সব মিলিয়ে ৬ হাজার বস্তা সারের বিপরীতে অক্টোবর মাসে সরকারি বরাদ্দ এসেছে মাত্র ৪৭২ বস্তা। এর মধ্যে ২০০ বস্তা ডিএপি, ১৮২ বস্তা এমওপি ও ৯০ বস্তা টিএসপি সার রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দ মিলেছে মাত্র ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় ৫ হাজার ৫২৮ বস্তা সারের ঘাটতি রয়েছে। জানা গেছে, কালিকাপুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলার হিসেবে রয়েছেন মেসার্স আবুল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবুল হোসেন। তবে ইউনিয়নটিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার নেই। ডিলারভিত্তিক বরাদ্দের কারণে ইউনিয়নটিতে চাহিদার তুলনায় কম সার সরবরাহ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। কালিকাপুর ইউনিয়নের ছোট মুল্লুক গ্রামের কৃষক শ্রীমান আলি মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আলু, সরিষা ও পেঁয়াজ চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করেছি। এখন কয়েক বস্তা সার প্রয়োজন। সারের আশায় রাত ৩টা থেকে লাইনে বসে আছি। কিন্তু এখনো সার পাইনি। সময়মতো সার না পেলে ফসল চাষ করব কীভাবে?’ একই গ্রামের কৃষক অখিল চন্দ্র বলেন, ‘এ মৌসুমে আমার অন্তত ২৫ বস্তা সার লাগবে। জমি প্রস্তুত করে রেখেছি। কিন্তু চাহিদামতো সার পাচ্ছি না। সময়মতো সার না পেলে ফসল চাষ করা কঠিন হয়ে পড়বে।’ কৃষকদের অভিযোগ, চাষাবাদের ভরা মৌসুমে সার সংকট দেখা দেওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। জমি প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারছেন না। দ্রুত পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে আগাম ফসলের আবাদ ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কালিকাপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার আবুল হোসেন বলেন, ‘অক্টোবর মাসে খুবই সামান্য সার বরাদ্দ পেয়েছি। অথচ কৃষকদের চাহিদা অনেক বেশি। চাহিদা অনুযায়ী সার দিতে না পারায় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একপর্যায়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’ এদিকে মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মান্দা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর অবরোধ তুলে নিলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। মান্দা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সীমা কর্মকার বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সার সরবরাহ কম হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। চলতি মাসেই আরও এক দফা সার বরাদ্দ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। নতুন বরাদ্দের সার পৌঁছালে সংকট কেটে যাবে বলে আশা করছি।’

দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার, ৬ জেলের কারাদণ্ড
দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ছয় জেলেকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত দুটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন ভোলার লালমোহন উপজেলার চরকচপিয়া গ্রামের আনিচুল হকের ছেলে মো. মহসিন, মৃত মানিক হাওলাদারের ছেলে মো. রুবেল, নাসির পল্লানের ছেলে মো. শাকিল পল্লান, হাফেজ হাওলাদারের ছেলে শাহাবুদ্দিন এবং দশমিনা উপজেলার বড়গোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্ণী গ্রামের সলেমান মোল্লার ছেলে মো. মাসুম মোল্লা ও জলিল হাওলাদারের ছেলে আলাউদ্দিন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগ। এ সময় নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগে ছয় জেলেকে আটক করা হয় এবং মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত দুটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে আটক জেলেদের সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। দশমিনা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফেরদাউস ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় ছয় জেলেকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়জুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক ছয় জেলেকে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নাচোল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন এমপি মিজানুর রহমান
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) পরিদর্শনকালে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. ফারহানা নবীর নিকট ২০০টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে ইউএইচএফপিও ডা. ফারহানা নবীর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা দাস, উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী ও পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য হাসপাতালের সকল বিভাগ, ওয়ার্ড এবং চারপাশের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, হাসপাতালের সকল স্টাফকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এতে সেবা নিতে আসা রোগীদের চিকিৎসার মান বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জিত হবে। দায়িত্বে অবহেলার কোনো অভিযোগ উঠলে প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেন কোনো আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য সকল পক্ষকে একযোগে ও সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালে আসা সম্ভাব্য রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা ও পরীক্ষা নিশ্চিত করতে ২০০টি ডেঙ্গু টেস্ট কিট প্রদান করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নাচোল উপজেলার ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. ফারহানা নবী এমপি মহোদয়ের এই সময়োপযোগী উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন,আমরা দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস থাকলে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মডেল হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।" সভা শেষে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সার্বক্ষণিক মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। মূল বার্তা: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের অঙ্গীকার—সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা।

শারদীয় দুর্গাপূজায় ৭ দিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ২৪ অক্টোবর থেকে পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে । বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিঃ এর ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ । আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক রেজাউল করিম শাহীন এবং সি এন্ড এফ এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে চারদেশীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের সিদ্ধান্তে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেফায়েতুল ওয়ারেছ জানান আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ১৭, ১৮ ও ১৯ অক্টোবরসহ নির্ধারিত সময়ে বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। যাত্রীদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কাস্টমের সহকারী রাজস্ব অফিসার রাশেদ বলেন সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসবে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম থাকলেও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে জানা যাবে ছুটি শেষ হলে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম আগের মতই চলবে ।


