প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে রংপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি।
বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ নেতারা মন্দির কমিটির সঙ্গে পৃথক পৃথকভাবে বৈঠক করেছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড় বাজেট বরাদ্দের পর রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন বিএনপির নেতাকর্মী, সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে তুলেছে।
জেলা প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি থেকে জানা যায়, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামরিক বিমানযোগে সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন। এরপর সকাল ১১টায় তিনি রংপুর ধর্মসভা পূজামন্ডপ পরিদর্শনসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। বেলা সাড়ে ১২টায় তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দর গিয়ে সামরিক বিমানযোগে রাজশাহী এবং পরে চট্টগ্রাম সফর করার পর ঢাকায় ফিরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পুলিশ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপি’র নেতারা ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু ও মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডন ধর্মসভা মন্দির কমিটির সঙ্গে পৃথক পৃথক সভা করেছেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মন্দিরে প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ ও পরিদর্শনের সময় শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
এতে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর মহানগর বিএনপি’র সদস্য ডাঃ নিখিলেশ চন্দ্র গুহ রায়, ধর্মসভা মন্দির কমিটির সভাপতি পার্থ বোসসহ অন্যরা।
রংপুর মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় অংশ নেবেন। এতে রংপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবাই আনন্দিত। দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছুদিন আগে রংপুর সিটি কর্পোরেশনকে ১ হাজার ৮’শ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এতে করে নগরবাসীও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খুশি। এর উপর রংপুরে তার আগমন নতুন মাত্রাযুক্ত করেছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
রংপুর মহানগর বিএনপি’র সদস্য ডা. নিখিলেশ চন্দ্র গুহ রায় বলেন, আমরা সনাতনীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে অধীর অপেক্ষায় রয়েছি। তিনি আমাদের সঙ্গে শারদীয় দূর্গা উৎসবে অংশ নেবেন। তাঁর আগমনের মধ্য দিয়ে রংপুরের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে প্রত্যাশা করছি।
রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে একটি পূজামণ্ডপে যাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের জন্য নগরীর শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালিমন্দির, ধর্মসভা ও গুপ্তপাড়া মন্দিরেও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অন্যান্য দপ্তরগুলোকে নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।
