অর্থ অনর্থের কারণ! পুণের পোর্শে কাণ্ডের ছায়া এবার কোচিতে। নাবালক চালকের বিলাসবহুল গাড়ি পিষে দিল পথচলতি এক ব্যক্তিকে। ৫৫ বছরের এক ব্যক্তি স্কুটারে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। বেপরোয়া গতিতে ওই স্কুটারে ধাক্কা মারে একটি বিলাসবহুল মার্সিডিজ বেঞ্জ। গাড়ির চালক জনৈক বিচারকের ১৭ বছরের ছেলে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াও জনবহুল পথে বেরিয়ে পড়েছিল সে।
রবিবার ভোররাত ২টো থেকে ৩টের মধ্যে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। গাড়িটি অভিযুক্তের বাবা বিচারকের নামে নথিবদ্ধ। প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কিছু ভিডিও। যেখানে দেখা গিয়েছে, গাড়ির ভয়ংকর আঘাতে স্কুটারটি দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, নাবালক গাড়িচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে স্কুটারে। যদিও সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল না বলেই দাবি। যদিও মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
A 51-year-old scooter rider was killed in a road accident at Cheranalloor on Container Road in #Kochi in the early hours of Sunday after a #MercedesBenz allegedly driven by a 17-year-old, reportedly son of a judge, collided with his two-wheeler. Police took the minor into custody and seized the vehicle. A case was registered under Sections 281 and 106(1) of the BNS, relating to rash driving on a public way and causing death by negligence. Further investigation is underway.#Kerala
— Ashish (@KP_Aashish) October 25, 2026
মৃত ব্যক্তির নাম জয়াবালাকৃষ্ণন। পিছন থেকে তাঁর স্কুটিতে ধাক্কা মারে মার্সিডিজ বেঞ্জ। ১৭ বছরের কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং অবহেলার কারণে মৃত্যুর মতো অভিযোগ আনা হয়েছে। মৃত জয়াবালাকৃষ্ণনের ভাইঝি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি খাবারের দোকান চালাতেন। বাড়ি ফেরার পথে তাঁকে পিষে দেয় মার্সিডিজ বেঞ্জটি। বেপরোয়া গতির জেরে দুর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ের।
জয়াবালাকৃষ্ণনের ভাইঝি অভিযোগ করেছেন, থানায় নাবালক চালকের বাবাকে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ১৭ বছরের ছেলের হাতের গাড়ির চাবি তুলে দিয়েছিলেন। ক্ষিপ্ত হয়ে পালটা গালমন্দ করেন তিনি। তরুণী বলেন, “আমরা এই মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাব, বিশেষ করে বিচারকের মনোভাব বিবেচনায় রেখে। এছাড়াও লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি না চালানোর বিষয়টি তুলে ধরব। এই ঘটনা থেকে সকলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।”
