ক্রিসমাসের জন্য বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটে প্রথম হিন্দু সনাতনী উৎসব। এই প্রথমবার সেখানে দুর্গা আরাধনা হচ্ছে বিজেপির যুব নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডার হাত ধরে। তার দৌলতে এবার ডিসেম্বরের আগেই অ্যালেন পার্ক সেজে উঠেছে আলোর মালায়। সোমবার, দ্বিতীয়ার রাতে এই পুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দুর্গোৎসবের সূচনা করে শুভেন্দু বললেন, ‘‘এতদিনে পার্ক স্ট্রিট শুদ্ধ হল, মায়ের আগমনে। এত বছরে তো কোনও পুজো হয়নি। পুজো করতে হাই কোর্টে যেতে হতো।” পুজোর মাঝে একদিন অ্যালেন পার্কে গিয়ে ভোগ খাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন।
পুজোর মূল উদ্যোক্তা শঙ্কুদেব পণ্ডাকে পাশে নিয়ে শুভেন্দু বললেন, ‘‘একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির। পার্ক স্ট্রিটে টুকরে-টুকরে গ্যাংয়ের উৎপাত ছিল। আজ মা দুর্গার আগমনিতে পুরো পার্ক স্ট্রিট পবিত্র ও শুদ্ধ। এই পুজোকে ধরে রাখুন।”
দ্বিতীয়ার সন্ধ্যাজুড়ে কলকাতার নামীদামি একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অ্যালেন পার্কে যখন পৌঁছন, ঘড়ির কাঁটা তখন ১১টা ছুঁয়ে ফেলেছে। তবুও অক্লান্তভাবে হাসিমুখে উদ্বোধন করেন। এই পুজোর মূল উদ্যোক্তা শঙ্কুদেব পণ্ডাকে পাশে নিয়ে বক্তব্যও রাখলেন। বললেন, ‘‘একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির। পার্ক স্ট্রিটে টুকরে-টুকরে গ্যাংয়ের উৎপাত ছিল। আজ মা দুর্গার আগমনিতে পুরো পার্ক স্ট্রিট পবিত্র ও শুদ্ধ। এই পুজোকে ধরে রাখুন।” এরপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পুজোয় পারলে এসে প্রসাদ খাব। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পরম্পরা সব বজায় থাকুক। এবারের পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরতে দিইনি। মহালয়ায় মাকে কীভাবে এনেছি। পবিত্রতা, সংস্কৃতি সব বজায় রেখে এবার মাকে এনেছি।”
সোমবার অ্যালেন পার্কের এই পুজো দেখতে গিয়েছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতায়। তাই পুজোদর্শনে বেরিয়েছিলেন। শঙ্কুদেব পণ্ডার আয়োজনে দুর্গাপুজো দেখে মুগ্ধ তসলিমা! এনিয়ে ফেসবুক পোস্টে দারুণ প্রশংসা করেছেন লেখিকা।
