সম্মেলনের মাধ্যমে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেশীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকদের সরাসরি যোগাযোগ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের যোগাযোগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্যানেল আলোচনা, নেটওয়ার্কিং এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে দেশীয় ও প্রবাসী পেশাজীবী, উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আয়োজকদের মতে, প্রবাসে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন খাতের কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা জরুরি। সামিটের পাশাপাশি ‘গ্লোবাল এনআরবি অ্যাওয়ার্ডস’ আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাঁদের সাফল্য, অর্জন ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসীদের মেধা, দক্ষতা ও বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে সম্মেলনে উঠে আসা প্রস্তাব ও আলোচনাকে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সম্মেলন-পরবর্তী যোগাযোগ অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬’ দেশ ও প্রবাসের মধ্যে অর্থনৈতিক, পেশাগত ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
The post প্রবাসীদের মেধা-দক্ষতা ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার খোঁজ, ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট’ appeared first on ভোরের চেতনা.
