মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, ওয়াশিংটন ‘আগামীকালই’ ইরানের ওপর হামলা চালাতে পারে অথবা তেহরানের সঙ্গে একটি ‘বড় ও চমৎকার’ চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির ওপর নতুন করে হামলার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তিনি কতটা অগ্রসর হয়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এটি করার কথা ভাবছি, হয়তো আগামীকালই হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা কি সত্যিই মনে করেন যে, আমি এমন কিছু করতে চাইলে আপনাদের তা জানিয়ে দেব?
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর মাধ্যমে ইরান এখনো বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ এড়াতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু সমস্যা হলো—তারা কি সেই চুক্তি মেনে চলবে?
ট্রাম্প যুক্তি দেন যে, তার লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখা।
তিনি বলেন, অতীতে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে চালানো মার্কিন অভিযান দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
তিনি বলেন, আমাকে এটি স্থায়ী করতে হবে। কেবল এই কারণেই আমি এমনটা করছি।
প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন যে, যুদ্ধের আগের তুলনায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন বৃদ্ধি পেয়েছে; তবে তিনি তার বক্তব্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেননি।
পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—সে বিষয়ে তিনি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি; বরং সামরিক পদক্ষেপ এবং আলোচনা—উভয়কেই সম্ভাব্য ফলাফল হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ট্রাম্প বলেন, হয়তো আমাকে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে শেষ করে দিতে হবে, অথবা তারা হয়তো কোনো চুক্তিতে আসবে। তবে আমি নিশ্চিত নই। যেভাবেই হোক, জয় আমাদেরই হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ, যা ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়েছিল এবং মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সংঘাতের জন্ম দিয়েছিল, তা এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে—যদিও যুদ্ধবিরতি হয়েছে এবং একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল।
