পুজো মিটতেই চর্চায় পুরভোট। গেরুয়াশিবির কাদের প্রার্থী করবে, তা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা। কারণ, কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে দিন কয়েকের মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বেশ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলর। তাঁদের দেওয়া হবে টিকিট। যদিও বৃহস্পতিবারই রাজ্য বিজেপির সভাপতি জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলর টিকিট পাবেন না। পুরভোট নিয়ে বিজেপির বৈঠক শুরুর আগে এই ইস্যুতে মুখ খুললেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
আজ বঙ্গ বিজেপির হাইভোল্টেজ বৈঠক। সেখানে পুরভোটের নীলনকশা নিয়ে আলোচনা হবে বলেই খবর। বৈঠক শুরুর আগে তৃণমূলের কাউন্সিলরদের টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতেই সুকান্ত মজুমদার বুঝিয়ে দিলেন, তৃণমূলের কাউকে গুরুত্বই দিচ্ছেন না তিনি। তাঁর কথায়, “টিকিট দেওয়া তো দূর, আমি চাই না ওখান থেকে কেউ দলে আসুক। আর শমীক দা যখন বলেছেন নো এন্ট্রি, তখন সেটাই। এরপর বাকি সিদ্ধান্ত দলের হাতে।” এদিন পুরভোটে মমতা তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সুকান্ত বুঝিয়ে দিলেন, তাতে কোনও লাভ হবে না।
সুকান্ত মজুমদারের কথায়, “কানা-খোড়ার গল্প আমরা সকলেই জানি। একজন দেখতে পায় না, একজন হাঁটতে পারে না। দুজন একসঙ্গে হয়। এবার এখানে কে কার ঘাড়ে উঠবে আমি বলতে পারব না।” উল্লেখ্য, পুরভোটের আগে দলবদলের জল্পনা চলছে তৃণমূলের ৩ নেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবলীনা বিশ্বাস ও জুঁই বিশ্বাসকে নিয়ে। সেবিষয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলর বিজেপির টিকিট পাবে না। ওঁদের শুভ বিজয়া। মানুষ বিজেপিকে নির্বাচনে জয়ী করে রাজ্যে ক্ষমতায় এনেছে। শুধুমাত্র জামার পরিবর্তন নয়, ভিতরের মানুষটার পরিবর্তনের জন্য।”
