ভারতে আসছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, আগামী নভেম্বরেই এদেশে আসার কথা তাঁর। আট মাসে আগে মসনদে বসার পর এই প্রথম বলেন্দ্র কোনও দ্বিপাক্ষিক সফরে যাচ্ছেন। এর আগে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে অবশ্য তিনি বিদেশ সফর করেছিলেন। তবে দ্বিপাক্ষিক সফর এই প্রথম। আর সেক্ষেত্রে তিনি বেছে নিয়েছেন ভারতকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চিন না গিয়ে ভারতেই আসছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী হয়ে চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন বলেন্দ্র, এমনটা আগেই শোনা গিয়েছিল। তবে প্রথমে আপত্তি করলেও পরে ভারতের সঙ্গেও সুসম্পর্ক তৈরিতে উদ্যোগী হন তিনি। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই বিষয়ে কিছুটা ভারসাম্যের খেলাও খেলছেন তিনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক সফরে যাওয়ার জন্য তিনি নয়াদিল্লিকেই বাছছেন বলে জানা গিয়েছে। নভেম্বরের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহেই তাঁর এদেশে আসার কথা।
এই ‘ট্রেন্ড’ একেবারেই নতুন। এর আগে পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড মসনদে বসে সবার আগে চিনেই গিয়েছিলেন। তার আগে ঝালানাথ খানাল বেছে নেন তুরস্ক। শের বাহাদুর দেউবা গিয়েছিলেন ব্রিটেনে। আবার ওলি প্রথমে ভারতকে বাছলেও পরে চিনকেই বেছে নিয়েছিলেন। পূর্বসূরিদের পথে না চলে বলেন্দ্র আসছেন ভারতেই। সফরের প্রস্তুতি চলছে। যদিও দুই দেশের কারও তরফেই এই নিয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।
বলেন্দ্র শাহের এই সফরের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা এর আগে তিনি ভারত ও চিন-সহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে অনাগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তবে আগস্ট মাসে নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর ভারত দ্রুত ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকারী বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করবেন। বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হতে পারে বলেই ধারণা।
