আগামী তিন বছরের মধ্যে ৫ থেকে ৬ লাখ বেকার যুবকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার আশা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এজন্য ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ারগিভার, মোবাইল সার্ভিসিং ও ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন খাতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দেশে শিক্ষিত যুবকের সংখ্যা এবং তাদের মধ্যে কতজন বেকার, এ বিষয়ে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে কি না এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে কী পরিকল্পনা রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল হক বলেন, আসলে প্রকৃত সংখ্যাটা বলাটা এই মুহূর্তে কঠিন। কিন্তু, আমরা যেটা চাচ্ছি যে আমাদের বর্তমান সরকারের যেটা প্রধান দায়িত্ব, যেটি নিয়ে আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও আমাদের একটি কমিটমেন্ট ছিল, সেটা হচ্ছে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, ‘আমার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আপনারা সবাই জানেন যে আমরা ফ্রিল্যান্সিং করাচ্ছি। আমাদের তিন মাসব্যাপী এই যুবক ও যুবনারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা ঘরে বসেই যেন নিজেদের স্বাবলম্বী করতে পারেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেন তারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেন তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কাজ করছি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পাশাপাশি আমাদের একটি আর্ন প্রজেক্ট রয়েছে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি প্রজেক্ট। সেই প্রজেক্টে আমাদের প্রায় ৯ লাখ যুবক ও যুবনারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যুবক ও যুবনারীদের প্রশিক্ষণের এই কার্যক্রম আমাদের প্রায় ২৫০টি উপজেলায় খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে।’
তিনি জানান, বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য থাকলেও মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষণার্থীদের শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আমিনুল হক বলেন, আগামী তিন বছরের ভিতরে আমরা আশা করছি, যদি ৬০ শতাংশও ধরি, তাও প্রায় সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ লোকের কর্মসংস্থান আমরা নিশ্চিত করতে পারব।
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে আরও কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এভাবে আমাদের আরও বেশকিছু ঢাকা মহানগরীসহ এবং আমাদের কেয়ারগিভার, মোবাইল সার্ভিসিং, ড্রাইভিংয়ের বেশকিছু প্রকল্প আমাদের হাতে রয়েছে। আমরা এগুলো যদি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করতে পারি, আমাদের সরকারের যে মূল লক্ষ্য, আমি মনে করি যে আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের বর্তমান সরকারের এবং আমাদের যে বেকার যুবক যারা রয়েছেন, তাদের আমরা একটি বৃহৎ একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।
