অমিত হাসান
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ থেকে বঞ্চিত প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান বরাবর তারা লিখিত আবেদন জমা দেন।
প্রার্থীদের লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লক্ষাধিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে ১৮ লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে ধাপে ধাপে পরীক্ষা শেষে ৬০ হাজার ৫২১ জন চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। কিন্তু চলতি বছরের ১৯ আগস্ট প্রকাশিত ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে মাত্র ৪১ হাজার ৬২৭ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ফলে, বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৫ হাজার যোগ্য প্রার্থী সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হন।
আবেদনপত্রে তারা দাবি করেন, মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েও নিয়োগ না পাওয়ায় বিপুলসংখ্যক প্রার্থী হতাশা, মানসিক চাপ এবং সামাজিক-পরিবারিক নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এছাড়া ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আগে ১৮তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ কিন্তু নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের শূন্যপদে সুপারিশ প্রদান করতে হবে বলে দাবি জানানো হয়েছে।
তাদের আবেদনপত্রে দুটি মূল দাবি—
১. ১৮তম ভাইভা উত্তীর্ণ সনদধারী নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে।
২. নীতিমালা পরিবর্তনের আগে চূড়ান্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের চাহিদা মেনে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল এনটিআরসিএ। এবারো ৬০ হাজারের অধিক শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে অন্তত ১৫ হাজার বঞ্চিত প্রার্থীকে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তারা আশাবাদী।
