বগুড়ার নন্দীগ্রামে আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় ও দমনে কৃষকদের পরামর্শ দিতে বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টির কারণে আমন ক্ষেত রক্ষায় বিভিন্ন মাঠে কৃত্রিম সেচ কার্যক্রমও চালু করা হয়েছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) উপজেলার কহুলী, বৈলগ্রাম, বেলঘড়িয়া ও পাটগাড়িসহ বিভিন্ন মাঠে আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হকসহ কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও ধরন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পোকামাকড় দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফসল সুরক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আমন ধান রক্ষা পাবে এবং কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় আমন ধানের ক্ষেতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফসলের এই ক্ষতি এড়াতে বিভিন্ন মাঠে পাম্পের সাহায্যে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এতে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, ‘আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অনাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি এড়াতে বিভিন্ন মাঠে সেচ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। আমন ধানের সুরক্ষা ও বাম্পার ফলন নিশ্চিত করতে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব
