নিজ আকাশসীমায় প্রবেশ করা ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ন্যাটোর বিদ্যমান নিয়ম ও পদ্ধতি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে লিথুয়ানিয়া। এ বিষয়ে সামরিক জোটটির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দেশটি।
মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার পোল্যান্ডের দিক থেকে আসা সন্দেহভাজন ইউক্রেনীয় একটি ড্রোন লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হওয়ার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হলো।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিনদাউগাস সিনকেভিচিয়ুস এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ন্যাটোর নিয়ম অনুযায়ী, রাডারে কোনো উড়ন্ত বস্তু শনাক্ত হলেও শক্তি প্রয়োগের আগে যুদ্ধবিমানের পাইলটদের সেটিকে সরাসরি দেখে শনাক্ত করতে হয়।
তবে মেঘাচ্ছন্ন আকাশসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পাইলটদের পক্ষে রাডারে শনাক্ত করা বস্তুটি দৃশ্যমানভাবে নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী ড্রোন দ্রুত প্রতিহত করার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সিনকেভিচিয়ুস জানান, ন্যাটোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা প্রায় এক মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশা করছেন।
তিনি আরও বলেন, ড্রোন বা এ ধরনের উড়ন্ত বস্তু প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ন্যাটো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জাতীয় কর্তৃপক্ষের ওপর ছেড়ে দিতে পারে।
লিথুয়ানিয়ার এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করার প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করা। তবে ন্যাটোর বিদ্যমান নিয়মে কী ধরনের পরিবর্তন আনা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
