জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী আপনার ক্ষেত্রে রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে কি না তা নিশ্চিত হোন।
ই-টিন (e-TIN) থাকা এবং আয় করমুক্ত সীমার নিচে হওয়া মানেই যে আপনার জন্য রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়—এমনটি নয়; তাই প্রথমে আইন অনুযায়ী আপনার রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক কি না তা যাচাই করতে হবে।
করণীয় কী?
- রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা যাচাই করুন: আপনার আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলেও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে (যেমন নির্দিষ্ট সেবা নেওয়া বা বাধ্যবাধকতা থাকলে) রিটার্ন জমা দিতে হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী আপনার ক্ষেত্রে রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে কি না তা নিশ্চিত হোন।
- অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করুন: এনবিআরের অফিশিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টাল-এ আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করে অতীতে কোনো করবর্ষের রিটার্ন জমা দেওয়া হয়েছে কি না এবং প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আছে কি না তা যাচাই করুন।
- শূন্য রিটার্ন (Zero Return) বা সাধারণ রিটার্ন জমা: যদি রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হয় এবং আপনার আয় করযোগ্য সীমার নিচে থাকে, তবে আপনি আইন অনুযায়ী জিরো রিটার্ন বা প্রযোজ্য তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। এতে জরিমানা বা আইনি ঝামেলা এড়ানো যায়।
- টিআইএন বাতিলের আবেদন: ভবিষ্যতে যদি আপনার আর কখনোই টিআইএন বা রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন না হয়, তবে শর্ত সাপেক্ষে টিআইএন বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারেন (এটি কর্তৃপক্ষের যাচাই ও অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে)। মনে রাখবেন, টিআইএন বাতিল এবং রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা ভিন্ন বিষয়।
- কর অফিস বা আইনজীবীর পরামর্শ নিন: কোনো নোটিশ বা জটিলতা থাকলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে যোগাযোগ করুন অথবা কোনো অভিজ্ঞ কর আইনজীবীর সহায়তা নিন।
