আসন্ন দুর্গাপুজো নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে রাজধানী ঢাকা-সহ সারা দেশের মণ্ডপ ঘিরে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। সরকারি তরফে বলা হয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপুজোর নিরাপত্তায় গোটা দেশে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
এর আগেই শাসকদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দলের নেতাকর্মীরা প্রতিটি পুজোমণ্ডপে প্রহরীর ভূমিকা পালন করবেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা যুগে যুগে একে অপরের ধর্মীয় উৎসবে শরিক হয়েছি। কিন্তু পরাজিত অপশক্তি পুজোকে কেন্দ্র করে যেকোনও সময় চক্রান্ত করতে পারে। এই চক্রান্ত রুখে দিতে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপগুলি পাহারা দেবে। যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের এই উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিময় হয়।
প্রসঙ্গত, ভারত বন্ধু হিসেবে পরিচিত আওয়ামি লিগ শাসনামলেও প্রতিবছর দুর্গাপুজোর সময় দেশের একাধিক জেলায় সহিংস কাণ্ড ঘটেছে। হিন্দুদের ধন-সম্পদ লুটপাট থেকে আগুন দেওয়া, মণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর-সহ প্রাণহানিও হয়েছে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বিএনপির এই পদক্ষেপ। এছাড়া দুর্গাপুজো উপলক্ষে ১২ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। কমিটিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে আহ্বায়ক এবং যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
