পত্রিকা: 'স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে টুপটুপে উঠেছিলেন নাহিদ, মিলছে না খোঁজ'
কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে আজ সোমবার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে প্রতিক্রিয়া এবং কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন লেগে হতাহতের ঘটনার ফলো আপ সংক্রান্ত সংবাদ গুরুত্ব পেয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সৈকতসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যাসহ নিখোঁজ রয়েছেন নাহিদুর রহমান।
৪১ বছর বয়সী নাহিদ ঢাকার শেওড়াপাড়ায় স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানাকে (৩) নিয়ে বসবাস করতেন।
পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে ১৬ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত রিসোর্টটির একটি কক্ষ বুক করেছিলেন তাঁরা।
রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার পর প্রাণ বাঁচাতে নাহিদ স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে বাথরুমে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
পরে সেখান থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে আগুনে মরদেহগুলোর চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি প্রশাসন।
ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহগুলো নাহিদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের।
অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না স্বজনেরা। তাঁদের মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
পরিবারের কোনো খোঁজ না পেয়ে নাহিদের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। পরিবারের চার সদস্য বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন স্বজনেরা।


প্রথম আলোর খবর - অবৈধ রিসোর্টের ছড়াছড়ি, প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। খবরে বলা হয়েছে, কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের তদারকির ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
উখিয়ার পাটুয়ারটেক সৈকতের পাশে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) প্রয়োজনীয় অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সনদ ছাড়াই গড়ে উঠছে রিসোর্ট ও কটেজ।
সম্প্রতি আগুনে পুড়ে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে টুপটুপ রিসোর্টে। এর আগে পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করলেও রিসোর্টটির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
টুপটুপ রিসোর্টে প্রাণহানির ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভের প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় অনুমোদনহীন রিসোর্ট, কটেজ ও হোটেল নির্মাণের চিত্র পাওয়া গেছে।
এমনকি কক্সবাজার শহরে আটতলা হোটেলও অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই নির্মিত হচ্ছে। বিভিন্ন সংস্থা অনিয়মের বিষয়ে নোটিশ দিলেও নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।
সরকারি সংস্থা, হোটেলমালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলায় সাত শতাধিক আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে অগ্নিনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম রয়েছে।
বছরে অন্তত ৯০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটে এই জেলায়। ফলে অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি সতর্কতা ও নিরাপদে বের হওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়ায় পর্যটকদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

বাংলাদেশে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রতিদিন গড়ে ৭৫টি অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৮৫ জন নিহত ও ২৬৭ জন আহত হন।
২০২৪ সালে ২৬ হাজার ৬৫৯টি অগ্নিকাণ্ডে ১৪০ জনের মৃত্যু হয় এবং আর্থিক ক্ষতি হয় প্রায় ৪৪৬ কোটি টাকা।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮৪৬টি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি হয়েছে ৪৫৩ কোটি টাকার বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও রাসায়নিকের ব্যবহার বাড়লেও অগ্নিনিরাপত্তা সেই অনুপাতে বাড়েনি।
ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, দাহ্য পদার্থের অনিরাপদ মজুদ এবং ভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ভবন ও কারখানার কর্মীদের প্রশিক্ষণ, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রাথমিকভাবে আগুন মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের মতে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক স্থাপনাতেই কার্যকর নেই।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর - Ishraque's fate up in the air। খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার গেন্ডারিয়ায় শনিবার মাদকবিরোধী অভিযানের সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে বিতর্কের জেরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মন্ত্রিত্ব অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে বলেছেন।
সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী ইশরাককে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন।
রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশনও সংবাদ প্রচার করে যে প্রধানমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে কিছুক্ষণ পর সেই সংবাদ সরিয়ে নেওয়া হয়।
রাত ১১টা ২২ মিনিটে বিটিভি ইশরাকের বক্তব্য প্রচার করে, যেখানে তিনি পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার খবরকে 'সম্পূর্ণ মিথ্যা' বলে দাবি করেন।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

পুরান ঢাকায় পরিকল্পিত মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পিস্তল প্রদর্শনের অভিযোগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় তিনি আইনের ঊর্ধ্বে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার দিনের বেলায় পরিচালিত ওই অভিযানের ভিডিও ইশরাক নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন।
ইশরাকের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের ভেতরে, বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে, বিশিষ্ট নাগরিক ও আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
তাঁদের মতে, আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধ লাইসেন্স থাকলেও কাউকে ভয় দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করা যায় না। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে আইনগত ব্যবস্থার সুযোগ রয়েছে।

যুগান্তর পত্রিকার খবর - বিনিয়োগের ইঞ্জিন থমকে আছে। এ খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি অনিশ্চয়তা ও ঋণের উচ্চ সুদসহ নানা কারণে বিনিয়োগে স্থবিরতা বিরাজ করছে।
নতুন কারখানা স্থাপন তো দূরের কথা, পুরোনো কারখানা টিকিয়ে রাখতে যুদ্ধ করছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থবির হয়ে পড়েছে নতুন কর্মসংস্থানের পথ। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি তলানিতে, ব্যাংকে টাকার পাহাড় থাকলেও উদ্যোক্তারা ঋণ নিচ্ছেন না।
জ্বালানির ঘোর সংকট, ঋণের মাত্রাতিরিক্ত সুদ আর নীতিগত দোলাচলের চোরাবালিতে আটকে গেছে দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি বিনিয়োগ।
এই বন্ধ্যাত্ব কাটাতে না পারলে সামনে খারাপ দিন অপেক্ষা করছে। ইতোমধ্যে কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হচ্ছে চাপ।
এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের রিপোর্টে বলেছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসবে।
এদিকে বিনিয়োগে বাংলাদেশের চেয়ে প্রতিযোগী দেশগুলো অনেক এগিয়ে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দুরবস্থার পেছনে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণ রয়েছে। এগুলো হলো-জ্বালানি অনিশ্চয়তা, অর্থনীতিতে দুর্বল চাহিদা, ঋণের উচ্চ সুদ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা।
এই অবস্থায় উদ্যোক্তাদের আস্থা বাড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়ীদের মতে, জ্বালানি সমস্যা না কাটলে বিনিয়োগ বাড়বে না।

খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিল্প খাত রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, ঋণসংকট এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়াসহ নানা সমস্যায় চাপে রয়েছে।
এর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে ব্যবসায়ীদের আস্থাও কমছে। ফলে অনেক কারখানা উৎপাদন সক্ষমতার চেয়ে কম উৎপাদন করছে, কিছু কারখানা বন্ধ রয়েছে।
এতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, ভোক্তাদের ব্যয় কমে যাওয়া, উন্নয়ন প্রকল্পের গতি থেমে থাকা এবং আবাসন খাতে স্থবিরতার কারণে ইস্পাত, সিমেন্টসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্যের চাহিদা কমেছে।
অন্যদিকে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বাজারে রপ্তানি নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও কাঁচামালের ব্যয় বেড়েছে।
কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহের উন্নতি হলেও তা স্বাভাবিক উৎপাদন ফিরিয়ে আনার জন্য যথেষ্ট নয়। কার্যকর মূলধন সংগ্রহ, ঋণপত্র খোলা এবং বৈদেশিক মুদ্রা পেতেও সমস্যায় পড়ছেন উদ্যোক্তারা।

বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে রাজধানীতে বিভিন্ন অননুমোদিত স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে ব্যাচেলর, মাস্টার্স, এমবিএ, এলএলবি, এমফিল ও পিএইচডিসহ নানা ডিগ্রি দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করছে।
অথচ দেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো স্টাডি সেন্টারকে অনুমোদন দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সংস্থাটির কাছে এমন ১৭টি অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও স্টাডি সেন্টারের তালিকা রয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ডিগ্রির স্বীকৃতি, শিক্ষার মান ও সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
দেশে এসব ডিগ্রির সমতা বিধানের সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে অননুমোদিত স্টাডি সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বিভিন্ন সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম ও পর্তুগালে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিস, লিওঁ, মার্সেইসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ইতালির মিলানেও একই দিনে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এসব দেশে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের রফতানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির অন্যতম প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। দেশের মোট তৈরি পোশাক রফতানির প্রায় অর্ধেক এ বাজারে যায়।
ইউরোপে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণে ভোক্তাদের ব্যয় ও কেনাকাটার ধরনে পরিবর্তন এলে বাংলাদেশের রফতানি চাহিদাও কমতে পারে।
বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধির গতি আগে থেকেই ধীর থাকায় নতুন অনিশ্চয়তা রফতানিকারকদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
তবে অস্থিরতা কত দিন স্থায়ী হবে এবং আমদানি চাহিদায় এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
