রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। মতিহারের সবুজ চত্বরে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী স্বপ্ন নিয়ে পথ চলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রশ্ন তুলেছে, সেই স্বপ্ন দেখার পরিবেশ কতটা নিরাপদ।
গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়া হলসংলগ্ন সড়কে এক শিক্ষার্থীর হাত থেকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়। এ ধরনের ঘটনার পাশাপাশি হল থেকে সাইকেল চুরির মতো ঘটনায়ও ক্যাম্পাসের আরও অনেক শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নিরাপত্তার ঘাটতি কেবল চুরি ও ছিনতাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাতে মেইন গেট খোলা থাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়ায় বহিরাগত ছেলেদের মোটরসাইকেলে উচ্চ গতিতে ঘোরাফেরা এবং উচ্চ শব্দে হর্ন বাজিয়ে নারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও উঠছে। সম্প্রতি চুরির ঘটনায় প্রক্টর জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে মামলা করা হবে। কিন্তু নিরাপত্তার প্রশ্নে ‘প্রয়োজন হলে’ বলে অপেক্ষা করার সুযোগ নেই। রাতে গেটে কড়া নজরদারি, যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণ, হলসংলগ্ন সড়কে সিসিটিভি সঠিক ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ছিনতাইকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এখন জরুরি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিরাপদ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীর অধিকার।
মুর্শেদুর রহমান রুপক : শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
