ঘটনার রাতেই সরাইল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ওই রাতে থানায় যাঁরা এসেছিলেন এবং থানা ফটকে যাঁরা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, রুমিন ফারহানার সমর্থকদের দাবি, কয়েক দিন ধরেই সংসদ সদস্যের সঙ্গে ওসির দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, সংসদ সদস্য এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন একাধিকবার ফোন করলেও ওসির কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি নিরাপত্তার প্রয়োজনেও সংসদ সদস্য প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলে দাবি করেছেন তাঁর সমর্থকেরা।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা জানান, ওসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করতেই তিনি থানায় গিয়েছিলেন। অভিযোগগুলোর একটি তালিকাও তাঁর কাছে ছিল। তবে সেসব বিষয়ে ওসি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে, ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। একদিকে পুলিশ থানায় উপস্থিত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত বক্তব্য বা তদন্তের ফলাফল এখনো জানা যায়নি।
The post সরাইল থানায় এমপি-ওসির বাগ্বিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল, সমর্থকদের বিরুদ্ধে পুলিশের জিডি appeared first on ভোরের চেতনা.
