নানা পাটেকরের মৃত্যুর চব্বিশ ঘণ্টা পেরনোর আগেই ‘শয়তানের মৃত্যু’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন ‘আশিক বনায়া আপনে’ অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। বঙ্গতনয়ার এহেন মন্তব্যের জেরে ফের নতুন করে চর্চায় পুরনো বিতর্ক। সাম্প্রতিক অতীতে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন তনুশ্রী। বর্ষীয়ান অভিনেতার অকাল মৃত্যুর পর তনুশ্রীর অসংবেদনশীল মন্তব্য ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত নেটভুবন। মৃত মানুষ সম্পর্কে বিষোদাগার মোটেই ভালো নজরে দেখছে না একাংশ। তবে তনুশ্রীর সমর্থনেও আওয়াজ তুলেছেন ইন্ডাস্ট্রির কিছু সতীর্থ। এহেন পরিস্থিতিতে এবার নীরবতা ভাঙলেন নানা পাটেকরের ছেলে মলহার পাটেকর।
সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করেই মলহারের দাবি, যে মামলাটি নিয়ে বারবার আলোচনা করা হচ্ছে, তার আইনি নিষ্পত্তি ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। তাহলে কেন সেই বিষয়টি আবার নতুন করে সামনে আনা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারকা সন্তান। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অতীত বিতর্ক নিয়ে তাঁর পাটেকরের বক্তব্য, “কারও নাম না করেই আমি বলতে চাই, যে মামলাটি নিয়ে অযথা আলোচনা করা হচ্ছে ইতিমধ্যেই তার আইনি নিষ্পতি হয়ে গিয়েছে। বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বহু আগেই। মামলা শেষ হওয়ার পরও এসব কথা বলা হচ্ছে।”
তনুশ্রীর সঙ্গে বাক্বিতণ্ডায় জড়াতে চাননি বলেই হয়ত নামোল্লেখ করেননি মলহার।নাম না করেই তনুশ্রী ও তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “এই ধরনের মানুষদের আমি কিছুই বলব না। সত্য়ি কখনও বদলাবে না। ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন। এটাই তাঁদের উদ্দেশে আমার বক্তব্য।” প্রসঙ্গত, ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির শুটিং চলাকালীন নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন তনুশ্রী দত্ত।

২০১৯ সালের জুন মাসে মুম্বই পুলিশ আদালতে একটি ক্লোজার রিপোর্ট জমা দেয়। সেখানে জানানো হয়, নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে মামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে এই আইনি বিতর্কের কার্যত অবসান ঘটে। তবে নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর পুরনো সেই অভিযোগ, বিতর্ক নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে, সে কথা বলার অবকাশই রাখে না।
