৩৪৭৩টি ড্রোন দিয়ে ময়ূর তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করল ভারত
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ভারতের ঐতিহ্যবাহী মহীশূর দশরা উৎসবে এক অভূতপূর্ব মুহূর্তের সাক্ষী হলো লাখো মানুষ।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে কর্ণাটকের মহীশূরের বান্নিমন্টপ টর্চলাইট প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩ হাজার ৪৭৩টি ড্রোন দিয়ে আকাশে এক বিশাল নাচতে থাকা ময়ূরের আকৃতি তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে মহীশূর দশরা ড্রোন শো। বহু-রোটর বিশিষ্ট ড্রোন দিয়ে আকাশে পাখির আকৃতি তৈরির ক্ষেত্রে এটিই এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ প্রদর্শনী।
সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সূত্র অনুযায়ী, চমকপ্রদ এই শোটির আয়োজন করেছিল চামুন্ডেশ্বরী ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেড। আর ড্রোনের উড্ডয়ন ও কারিগরি পরিচালনায় ছিল আইআইটি দিল্লি থেকে গড়ে ওঠা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বটল্যাব ডায়নামিক্স। ভারতের জাতীয় পাখি ময়ূরের বিশাল আলোকিত প্রতিচ্ছবিটি ছিল পুরো আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ।
আরও পড়ুন
বটল্যাব ডায়নামিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. সারিতা আহলাওয়াত এই সাফল্য সম্পর্কে বলেন, স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়ই প্রমাণ করে যে আমাদের কাজ মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করে ভারতের জাতীয় পাখিকে আকাশে ফুটিয়ে তুলে এই বিশ্ব রেকর্ড গড়া আমাদের পুরো টিমের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
মহীশূর দশরা উৎসবে ড্রোন শো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশ-বিদেশের পর্যটক, স্থানীয় পরিবার এবং প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে এটি অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে বটল্যাব ডায়নামিক্স ধারাবাহিকভাবে এই উৎসবে ড্রোন প্রদর্শনী আয়োজন করে আসছে।
উৎসবের প্রথম দুই সন্ধ্যায় টর্চলাইট প্যারেড গ্রাউন্ডে দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। বিশেষ করে প্রথম রাতের ড্রোন শোয়ের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গিনেস বিশ্ব রেকর্ড অর্জনের খবর বিশ্বজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
আজকের দিনে ঘটে যাওয়া স্মরণীয় ঘটনা
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯ এএম
প্রতীকী ছবি
-->আজকের এ দিনে পৃথিবীতে ঘটেছিল মনে রাখার মত কিছু ঘটনা। যেগুলো আজও মানুষের স্মৃতিতে রয়ে গেছে। যা নিয়ে এখনও আলোচনা হয়। যার ফল আজও মানুষ ভোগ করছে।
১৯০২ – গুয়াতেমালার সান্তা মারিয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়, যা বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় বৃহত্তম অগ্ন্যুৎপাত।
১৯১১ – অভরিল রাইট তার আবিষ্কৃত উডোজাহাজে করে নর্থ ক্যারোলিনার আকাশে ৯ মিনিট পয়তাল্লিশ সেকেন্ড ভেসে বেড়ান।
আরও পড়ুন
১৯১২ – প্রথম বলকান যুদ্ধ: বুলগেরিয়ার বিজয়ের মাধ্যমে কির্ক কিলিসের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
১৯১২ – প্রথম বল্কান যুদ্ধ: সার্বিয়ানদের বিজয়ের মাধ্যমে কুমানোভের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
১৯১৭ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্র-ইতালীয় কাপরেতোর সম্মুখযুদ্ধ শুরু।
১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: ভিত্তোরিও ভেনেতোর যুদ্ধে ইতালির বিজয়।
১৯২৬ – উত্তরমুখী অভিযানের সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্যে সাংহাইয়ের শ্রমিকদের সশস্ত্র অভ্যুত্থানের আয়োজন করা হয়।
১৯২৬ – হ্যারি হুডিনির শেষ পরিবেশনা ডেট্রয়েটের গ্যারিক থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২৯ – নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে ‘ব্ল্যাক থার্সডে’, যা মহামন্দার কারণ হয়।
১৯৩০ – ব্রাজিলে রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে প্রথম প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ভার্গাস যুগ শুরু হয়।
১৯৩১ – জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজ জনগণের যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
নাঈম/
আরও পড়ুন
নোবেল না পেয়ে এবার ‘পুলিৎজার’ চাইলেন ট্রাম্প
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
-->একাধিক যুদ্ধ থামানোর দাবি সত্ত্বেও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তিনি আরেক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা-‘পুলিৎজার পুরস্কার’ পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাউথ ক্যারোলাইনার এক নির্বাচনী র্যালিতে দেওয়া বক্তব্যে এই দুই সম্মাননা থেকে বঞ্চিত হওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মার্কিন কম্যান্ডার-ইন-চিফ, যদিও তিনি বারবার দাবি করেন-এসব না পাওয়া নিয়ে তার কোনো খেদ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া সংক্রান্ত তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে সাংবাদিকদের দল পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন, তাদের রিপোর্টকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি নোবেল পুরস্কার পাইনি। পুলিৎজারও পাইনি। কিন্তু আমার লেখালেখির জন্য আমার পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল।’
আরও পড়ুন
পুলিৎজার পুরস্কার হলো সাংবাদিকতা, সাহিত্য, নাটক ও সঙ্গীতের ক্ষেত্রে আমেরিকার অত্যন্ত সম্মানজনক একটি বার্ষিক পুরস্কার। তবে ট্রাম্প তার ঠিক কোন লেখার জন্য এই পুরস্কার পাওয়ার দাবি করছেন, তা স্পষ্ট নয়।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যারা এই পুরস্কার পেয়েছে, তাদের এটি পাওয়ার কথা ছিল না, আপনারা জানেন? ‘রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া’ বিষয়ের ওপর চমৎকার ও সঠিক লেখার জন্য তারা পুলিৎজার জিতেছে। কিন্তু তাদের সব হিসাব ভুল ছিল। তারা সবাই ভুল লিখেছিল।’
এর পরেই তিনি আবার নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভের প্রসঙ্গে ফিরে যান। এছাড়া পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ওষুধ সামগ্রীর দাম কমানোর মতো পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আওতা বাড়ানোর মতো মেয়াদের বাকি লক্ষ্যগুলোর কথা তুলে ধরেন।
ট্রাম্পের লেখালেখি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া নানা মন্তব্যের পাশাপাশি ট্রাম্প ব্যবসা, কৌশল ও রাজনীতির ওপর প্রায় ২০টির মতো বই প্রকাশ করেছেন। তবে এসব বই লিখতে তিনি প্রায়ই সহ-লেখক এবং ‘গোস্টরাইটার’ (প্রচ্ছদে নাম না দিয়ে আড়ালে লিখে দেওয়া লেখক)-দের সাহায্য নিয়েছেন।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করার আগেই ১৯৮৭ সালে ট্রাম্পের নামে প্রথম বই ‘দ্য আর্ট অব দ্য ডিল’ প্রকাশিত হয়। বইটির মূল লেখক ছিলেন গোস্টরাইটার টনি সোয়ার্টজ।
নিজের বই লেখার জন্য সহ-লেখক ও গোস্টরাইটার নিয়োগ করাকে ট্রাম্প একটি অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন। ট্রাম্পের নামে প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে আত্মউন্নয়নমূলক বই, ব্যক্তিগত অর্থসংস্থান বিষয়ক নির্দেশিকা, রাজনৈতিক নীতির বই এবং আত্মজীবনী। সূত্র: এনডিটিভি
আজহার/
আরও পড়ুন
শরতে বহুবর্ষজীবী গাছ রোপনের টিপস
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->গাছ মরে গেলে আমরা সাধারণত নিজেদের দোষ দিই। অনেক সময় হয়তো তা ঠিক, কিন্তু আমরা যা খেয়াল করি না তা হলো অন্যান্য জীবন্ত প্রাণীর মতোই গাছেরও একটি নির্দিষ্ট আয়ু থাকে এবং কোনো কোনো সময় তাদের আয়ুর মেয়াদ ফুরিয়ে যায়।
একবর্ষজীবী উদ্ভিদ তাদের জীবনচক্র বীজ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এক বছরের মধ্যেই সম্পন্ন করে। দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদ দুই বছর বাঁচে, যদিও তারা প্রায়ই নতুন বীজ ছড়িয়ে নিজেদের বংশবৃদ্ধি বজায় রাখে। আর বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ দুই বা তার চেয়ে বেশি বছর বাঁচে বলে আশা করা হয়।
কিছু বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ স্বল্পায়ু হয়। কনফ্লাওয়ারের মতো কিছুর আয়ু মাঝারি ধরনের। কিন্তু কিছু বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ বাগানীদের আয়ুকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে উপযুক্ত পরিবেশে সেগুলো ২০, ৫০ কিংবা ১০০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। আর এই গাছগুলো রোপণের জন্য শরৎকাল হলো সেরা সময়।
আরও পড়ুন
পিয়োনি
‘পিয়োনি’ এই দলের মধ্যে দীর্ঘায়ুর দিক থেকে শীর্ষে। বড় ও আকর্ষণীয় বসন্তকালীন ফুলসহ এই কাষ্ঠল গুল্মজাতীয় গাছগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ নিতে কিছুটা সময় নেয়। তবে একবার ধরে গেলে এগুলো দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে সহজেই ৫০ থেকে ১০০ বছর এবং কখনো কখনো তার চেয়েও বেশি দিন বাঁচে। এগুলো মূলত বংশানুক্রমিক উদ্ভিদ, যা এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়। আজীবন ফুলের আনন্দ পেতে শরৎকালের শুরুতে জোনিং ৩-৯ অঞ্চলে পর্যাপ্ত রোদযুক্ত স্থানে (উষ্ণ এলাকায় বিকেলের হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে) এগুলো রোপণ করুন।
বিয়ার্ডেড আইরিশ
‘বিয়ার্ডেড আইরিশ’ও কয়েক প্রজন্ম ধরে টিকে থাকতে পারে। সঠিক পরিচর্যা পেলে এগুলো বলতে গেলে অনন্তকাল বেঁচে থাকে। গ্রীষ্মের শেষের দিকে বা শরতের শুরুতে রোপণ করা ‘রাইজোম’ (এক ধরনের ভূগর্ভস্থ কাণ্ড) থেকে এর শেকড় ক্রমাগত নতুন নতুন কুঁড়ি তৈরি করে। গাদাগাদি প্রতিরোধ করতে প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পর পর গাছের ঝোপ তুলে নতুন শেকড়গুলো আলাদা করুন। কারণ বেশি ভিড় হলে পচন ধরে গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এরপর পুরোনো বা মৃত রাইজোমগুলো ফেলে দিয়ে নতুন শেকড়গুলো রোদযুক্ত স্থানে পুনরায় রোপণ করুন।
হোস্টা
জোনিং ৩-৯ অঞ্চলে ‘হোস্টা’ ৫০ বছরেরও বেশি সময় বাঁচতে পারে। ভালো ফলাফলের জন্য বসন্ত বা শরৎকালে উর্বর, হালকা অম্লীয় মাটিতে ছায়াঘেরা স্থানে এগুলো রোপণ করুন, যেখানে ভোরের হালকা রোদ পাওয়া যায়। স্লাগ বা শামুকের মতো ক্ষতিকর পোকা থেকে এদের রক্ষা করুন এবং প্রথম দশকের পর প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পর পর ঝোপ আলাদা করে নতুন জায়গায় রোপণ করুন।
ডে-লিলি
যদিও ‘ডে-লিলি’র প্রতিটি ফুল মাত্র একদিন স্থায়ী হয়, তবুও খুব সামান্য পরিচর্যাতেই এই গাছগুলো প্রায় ৫০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। জাতভেদে জোনিং ২, ৩-৯ অথবা ১১ অঞ্চলে উর্বর ও সুনিষ্কাশিত মাটিতে পর্যাপ্ত রোদযুক্ত স্থানে এগুলো রোপণ করুন। বসন্তের শুরুতে কিংবা গ্রীষ্মের শেষ থেকে শরতের শুরুতে এগুলো রোপণ করা ভালো। গাছকে সতেজ রাখতে এবং নতুন চারা তৈরি করতে প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পর পর ঝোপ থেকে শেকড় আলাদা করুন।
ফলস ইন্ডিগো
জোনিং ৩-৯ অঞ্চলের বাগানে ‘ফলস ইন্ডিগো’ অনায়াসে ৫০ বছরের বেশি সময় বাঁচতে পারে। এই গাছগুলো ধীরে ধীরে বাড়ে এবং পূর্ণতা পেতে প্রায় পাঁচ বছর সময় নেয়। তবে একবার জমে গেলে এর দীর্ঘ ও শক্ত মূলের কারণে এরা খরা, তুষারপাত কিংবা প্রকৃতির যেকোনো প্রতিকূলতা সহজেই সহ্য করতে পারে। তবে এরা জায়গা পরিবর্তন একেবারেই পছন্দ করে না; তাই রোদযুক্ত একটি স্থান ভালোভাবে বেছে নিয়ে সেখানে রোপণ করুন এবং নিশ্চিন্তে ছেড়ে দিন। তবে হ্যাঁ, আপনার পর এই দীর্ঘজীবী গাছের পরবর্তী যত্ন নিয়ে করবেন তা কিন্তু এখনই উইলে লিখে যেতে পারেন।
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
গাঁজা সেবন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ জেন-জি
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট সংস্কৃতি ও আধুনিক তরুণ সমাজের জীবনযাত্রায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক আশঙ্কাজনক মাত্রা। বিশ্বখ্যাত সংবাদ মাধ্যম ভাইস-এর সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক তথ্যের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের জেন-জি বা জেনারেশন-জেড প্রজন্মের প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণই বর্তমানে গাঁজায় আসক্ত।
বিষয়টি কেবল তরুণদের নৈমিত্তিক আড্ডা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; কাজের সময়েও এর প্রভাব স্পষ্ট। তথ্যে দেখা যাচ্ছে, কর্মঘণ্টা বা ’ওয়ার্কিং পিরিয়ড’-এর মধ্যেও বাদ যাচ্ছে না তাদের এই অভ্যাস। কাজের মাঝখানে বিরতি নিয়ে কিংবা ডেস্কের সামনে বসেই অনেকে সেবন করছেন এই মাদক।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গাঁজা বৈধকরণের পর থেকে তরুণদের মধ্যে এর ব্যবহার লাফিয়ে বেড়েছে। আধুনিক কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ, অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রা বা ‘ডেডলাইন’-এর উদ্বেগ এবং দীর্ঘ কর্মঘণ্টাকে সামাল দিতে অনেক তরুণই সাময়িক স্বস্তির পথ হিসেবে গাঁজাকে বেছে নিচ্ছেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তবে অফিস সময়ে বা কাজের ফাঁকেও এই আসক্তির বিস্তার প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিবেশ ও উৎপাদনশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আরও পড়ুন
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কর্মক্ষম এক বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর এভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়া কোনো ইতিবাচক বার্তা বহন করে না। কাজের মনোযোগ নষ্ট হওয়া, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।
একদিকে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াই চলছে, আর ঠিক সেই সময়ে কর্মক্ষম তরুণ সমাজের কর্মঘণ্টার মধ্যেও এমন মাদকাচ্ছন্ন থাকার প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কর্ম পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
আজহার/
