Published on
:
2 min read
এই সময়: সম্প্রতি রাজ্যে তাঁদের ফেনল-অ্যাসিটোন কারখানার উদ্বোধনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), ডেটা সেন্টার, রোবটিক্স এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো বিষয় সারা বিশ্বের 'প্রফিট পুল' হিসেবে কাজ করছে বলে জানিয়েছিলেন চ্যাটার্জি গোষ্ঠীর কর্ণধার পূর্ণেন্দু চট্ট্যোপাধ্যায়। সেই 'প্রফিট পুল'-এ রাজ্যকে সামিল হতে বলেছিলেন তিনি। যার জবাবে এ রাজ্যে তাঁকে একটি ডেটা সেন্টার খোলার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ রাজ্যে সেই ডেটা সেন্টার চ্যাটার্জি গোষ্ঠী খুলবে কি না সেই প্রশ্নের চটজলদি জবাব পাওয়া না গেলেও বৃহস্পতিবার সারা দেশে ২ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার খোলার কথা জানিয়েছে গোষ্ঠীর সংস্থা কর্টেক্স ডিসি।
এআই এবং ক্লাউড পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে পাখির চোখ করে এই বড় মাপের বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। আগামী সাত বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ২ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এআই-উপযোগী ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার লক্ষ্য স্থির করেছে তারা। তবে দেশের ঠিক কোন কোন জায়গায় এই ডেটা সেন্টারগুলি তৈরি হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে প্রথম কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শুরুর পরে ১৮ মাসের মধ্যে সেটিকে পরিষেবা দেওয়ার উপযোগী করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে কর্টেক্স ডিসি-র।
সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জমি নির্বাচন, বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে প্রস্তুতি অনেকটাই এগিয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট প্রকল্পগুলির অবস্থান এখনও স্থির হয়নি, তবু দ্রুত নির্মাণের মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ করতে চায় সংস্থা।
কর্টেক্স ডিসি-র সিইও রাহুল শর্মার কথায়, 'ভারতের মাটিতে তৈরি হলেও এই পরিকাঠামো আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণের কথা মাথায় রেখেই গড়ে তোলা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা, ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারী এবং এআই-নির্ভর উদ্ভাবনী সংস্থাগুলির প্রয়োজন অনুযায়ী বৃহৎ পরিসরে পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যতা, বিদ্যুতের পর্যাপ্ত জোগান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হবে।'
