মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিজেপিকে হারাতে পারবেন না। বিজেপিকে হারাতে ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উপরই ভরসা রাখতে হবে। এমনই মন্তব্য করলেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বিজেপি বিরোধী দলগুলির কাছে তাঁর আহ্বান, রাহুল গান্ধীর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করতে এর বিকল্প নেই। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীদের এককাট্টা হওয়ার বার্তাও দেন তিনি। তবে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে হবে। তাহলেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করা সম্ভব হবে। তিনি স্পষ্ট করে দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে হবে না। তার কারণও জানান হুমায়ুন।
নওদার বিধায়ক জানান, রাজ্য়ের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তিনি আর নতুন করে বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে পারবেন না। বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে মমতার বয়সও। হুমায়ুনের ব্যাখ্যা, মমতা ৭ বারের সাংসদ। তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে তাঁর ৭১ বছর বয়স। ঊনত্রিশের নির্বাচনের সময় তাঁর ৭৩ বছর বয়স হবে। রাজনীতি থেকে অবসরের সময় বিরোধী মুখ হয়ে ওঠার ক্ষমতা মমতার আর নেই।
হুমায়ুন আরও জানান, কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেছিলেন মমতা। এবার তৃণমূলের গদ্দাররা তাঁর সঙ্গে গদ্দারি করল। তাঁর দল তছনছ হয়ে গিয়েছে। তাই এখন কংগ্রেসের উপরই ভরসা রাখতে হবে বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে। হুমায়ুনের কথায়, “রাহুল ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য বিকল্প মুখ আর কে আছে? মমতা ব্যানার্জিকে দিয়ে আর হবে না। ইন্ডি জোটে থাকা দলগুলি যেন নিজেদের দ্বিচারিতা বন্ধ করেন। রাহুলের হাতকে শক্তিশালী করার কাজ করেন। তাহলেই ২০২৯ সালে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা যাবে।”
