আবুধাবি টেস্টে একের পর এক মাইলফলক ছুঁয়ে চলেছেন লিটন দাস। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরির পর এবার উইকেটের পেছনেও গড়েছেন নতুন ইতিহাস। ৮টি ডিসমিসাল নিয়ে বাংলাদেশের উইকেটকিপারদের মাঝে সর্বোচ্চ আউটে অংশ নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
এর আগে এ রেকর্ডটি ছিল খালেদ মাসুদ পাইলটের। ২০০৪ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক টেস্টে ৭টি ডিসমিসালে যুক্ত হয়েছিলেন সাবেক এ উইকেটকিপার। ২২ বছর পর সে রেকর্ড নিজের করে নিলেন লিটন।
আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংসে চারটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিং করেছিলেন লিটন। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই আরো তিনটি ক্যাচ নিয়ে তার ডিসমিসালের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮-এ।
বাংলাদেশের রেকর্ড ভাঙার পর এবার লিটনের সামনে বিশ্বরেকর্ড। এক টেস্টে উইকেটকিপারের সর্বোচ্চ ডিসমিসাল ১১টি। ইংল্যান্ডের জ্যাক রাসেল, দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ভারতের ঋষভ পন্ত—তিনজনই এক টেস্টে ১১টি ডিসমিসালে যুক্ত হয়ে যৌথভাবে এ রেকর্ড ধরে রেখেছেন।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস এখনো শেষ হয়নি। তাই লিটনের সামনে সে রেকর্ড স্পর্শ করার পাশাপাশি সেটি ভেঙে এককভাবে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ার সুযোগও আছে।
এ টেস্টে ব্যাট হাতেও আলো ছড়িয়েছেন লিটন। প্রথম ইনিংসে ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন সেঞ্চুরি। সে ইনিংসেই পঞ্চম বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন।
সেঞ্চুরির সংখ্যায় পেছনে ফেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুলকেও। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় অবশ্য এখনো অনেকটা এগিয়ে মুশফিকুর রহিম—তার সেঞ্চুরি ১৪টি। এরপর আছেন মুমিনুল হক ১৩টি, তামিম ইকবাল ১০টি ও আর নাজমুল হোসেন শান্তর ৯টি।
