স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ওই প্রতিষ্ঠানে প্রসবের সময় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে নবজাতকের মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বা চিকিৎসাগত কোনো অবহেলার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হলে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও প্রসূতিদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, দক্ষ জনবল এবং জরুরি চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন এবং উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. সামছুল ইসলাম রমিজ। অভিযানে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সেটি সিলগালা করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে স্বাস্থ্যসেবার নামে অনুমোদনহীন কার্যক্রম পরিচালনার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির দাবি উঠেছে। তাঁদের মতে, সাধারণ মানুষের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন যাচাই, নিয়মিত পরিদর্শন এবং আইন লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। তবে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা এবং প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসাসেবার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
The post ভালুকায় হোমিও হলের আড়ালে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ৪ দিনের কারাদণ্ড ও জরিমানা appeared first on ভোরের চেতনা.
