“আরশোলা, ছাড়পোকাদের বুঝে নেব।” আরও একবার এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো মঙ্গলবার বিকেলে হাওড়ার লিলুয়াতেও চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত আকৃতী কুমারির বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আরও একবার বাম-সহ বিরোধীদের নিশানা করেছেন তিনি।
লিলুয়ার আনন্দনগর বিদ্যাসাগরপল্লির বাসিন্দা আকৃতি কুমারীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃতার পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন। পাশাপাশি পরিবারের এক সদস্যাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের এক হাত নেন। তৃণমূল কিংবা সিপিএম সকলেরই তীব্র সমালোচনা করেন। চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,‘‘ নরেন্দ্র মোদি আমাদের শিখিয়েছেন কথা কম বল, কাজ বেশি করে। আমরা এখন সেটাই করছি।”
এই প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘কোন বিরোধীরা সমালোচনা করছে। কোন তৃণমূল? তৃণমূলের তো নাম, নিশান কিছুই নেই কোন তৃণমূলের কথা বলছেন। তৃণমূলের তো তিনটে গ্রুপ তৈরি হয়েছে, একটা এনসিপিআই, একটা ডি তৃণমূল, একটা মমতা তৃণমূল।” আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলছেন ভারতকে পরাজিত করার চেষ্টা করছে বিদেশী শক্তিরা। সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী সিপিএম-সহ বিরোধী বামেদের নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘‘আরশোলা, ছাড়পোকা আর ওই নাস্তিক কমিউনিস্ট এদের আমরা বুঝে নেবে।’’
লিলুয়ায় মৃত আকৃতির বাড়িতে ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক তাপস মাইতি যাননি। সেই বিষয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি এটা নিয়ে মন্তব্য করবে না। উনি আমাকে মেসেজ করেছিলেন। আপনি আমার এলাকায় আসছেন আমি থাকতে চাই। আমি বলেছি, আপনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলুন। পুলিশ যদি বলে আসবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে তো নাও বলতে পারি না। হ্যাঁও বলতে পারি না। এলাকার কোনও মানুষ যদি আমার সামনে ওঁনাকে অসম্মান করে, আমার পক্ষেও খারাপ, ওঁনার পক্ষেও খারাপ। এজন্য আমি বললাম পুলিশকে জিজ্ঞেস করুন। পুলিশ যা বলবে তাই করবেন।’’
