তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্পের পর ভূমিধসে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে উঁচু এলাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোর পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন। তবে কামদো ও নিংচি শহরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এ ছাড়া ৩০০-র বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হতাহতের তথ্য এক নজরে
- নিহত: অন্তত ১৬ জন
- আহত: অর্ধশতাধিক
- ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি: ৩০০-র বেশি
- ভূমিকম্পের মাত্রা: ৭ (রিখটার স্কেলে)
- কেন্দ্রস্থল: বাকেন, নাগকু অঞ্চল, তিব্বত
ভূমিধসে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত
ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত উঁচু এলাকায় পৌঁছানো উদ্ধারকারীদের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। পার্বত্য এলাকা হওয়ায় যোগাযোগ পুনরুদ্ধারে সময় লাগতে পারে।
আগের দুর্যোগের প্রেক্ষাপট
দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসের কারণে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস হয়েছিল। এতে তিব্বত ও নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। ওই ঘটনায় কমপক্ষে ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শত শত মানুষের এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি।
অন্যদিকে ২০২৩ সালে চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান।
তিব্বতে সংবাদ সংগ্রহে বিধিনিষেধ
তিব্বত চীনের সবচেয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর একটি। এখানে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই ক্ষয়ক্ষতির স্বাধীন যাচাই কঠিন হতে পারে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পরে বদলাতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
The post তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত appeared first on SATV.
